গোবিন্দ রায়: আইপ্যাকের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি তল্লাশি নিয়ে এবার আদালতের দ্বারস্থ হল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছে শাসক শিবিরের তরফে। আবেদনে তৃণমূলের দাবি, আইপ্যাক তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে আইপ্যাকের কাছে দলের নানা তথ্য, নথি ছিল। বিজেপি ইডিকে কাজে লাগিয়ে সেসব লুটের চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, মামলার অনুমতি মিলেছে। শুক্রবার শুনানির সম্ভাবনা। ইডি অভিযান নিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে হাই কোর্টে। সব কটি মামলার শুনানি হতে পারে শুক্রেই।
২০২০ সালে দিল্লির ইডি দপ্তরে দায়ের হওয়া কয়লা পাচার মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে দেশের মোট ১০ জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। তার মধ্যে ছিল কলকাতার ৬টি স্থান। তবে শোরগোল পড়ে যায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি এবং সল্টলেকের অফিসে ইডি তল্লাশি নিয়ে। খবর পেয়ে দুপুর ১২টা নাগাদ প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে সবুজ রংয়ের একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। পরে তিনি সল্টলেকের অফিসে গিয়েও কিছু নথি নেন। প্রায় চারঘণ্টা সেখানেই ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বারবার অভিযোগ তুলেছেন, “এই অভিযান দুর্ভাগ্যজনক। আমার আইটি দপ্তরে অভিযান চালিয়েছে। দলের সব গোপন নথি এবং প্রার্থী তালিকা চুরি করতে ইডিকে দিয়ে হামলা করেছেন ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। নটি হোম মিনিস্টার।” তৃণমূলেরও সেই একই বক্তব্য। আদালত সূত্রে খবর, তৃণমূল আবেদনে জানিয়েছে, আইপ্যাক তাদের পরামর্শদাতা সংস্থা। আগামী ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আইপ্যাকের কাছে সেই সংক্রান্ত তথ্য ও নথি ছিল। বিজেপি ইডিকে কাজে লাগিয়ে সেই সমস্ত তথ্য লুটের চেষ্টা করছে। তিনটি মামলারই শুক্রবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
