ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। জনসংযোগ বাড়াতে তাই একুশের ধাঁচে ছাব্বিশের ভোটের আগেও 'পরিবর্তন রথযাত্রা'র ডাক গেরুয়া শিবিরের। মঙ্গলবার বিজেপির সল্টলেক কার্যালয় থেকে রথযাত্রার সূচি ঘোষণা করেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সমাজের সব স্তরের মানুষকে পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই রথযাত্রায় যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
আগামী ১ এবং ২ মার্চ থেকে রথযাত্রার সূচনা। ১ মার্চ উত্তরবঙ্গের কোচবিহার এবং দক্ষিণবঙ্গের কৃষ্ণনগর, দক্ষিণ গড়বেতা, রায়দিঘি, কুলটি থেকে শুরু হবে রথযাত্রা। পরদিন অর্থাৎ ২ মার্চ ইসলামপুর, সন্দেশখালি, হাসনাবাদ, আমতা থেকে শুরু হবে রথযাত্রা। আগামী ৩ মার্চ দোল এবং ৪ মার্চ হোলি। তাই এই দু'দিন রথযাত্রা বন্ধ থাকবে। তারপর ৫ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত প্রতি বিধানসভায় ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি রথযাত্রা হবে।
শমীক জানান, গোটা বাংলায় মোট ৯টি রথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১ এবং ২ মার্চ থেকে রথযাত্রার সূচনা। ১ মার্চ উত্তরবঙ্গের কোচবিহার এবং দক্ষিণবঙ্গের কৃষ্ণনগর, দক্ষিণ গড়বেতা, রায়দিঘি, কুলটি থেকে শুরু হবে রথযাত্রা। পরদিন অর্থাৎ ২ মার্চ ইসলামপুর, সন্দেশখালি, হাসনাবাদ, আমতা থেকে শুরু হবে রথযাত্রা। আগামী ৩ মার্চ দোল এবং ৪ মার্চ হোলি। তাই এই দু'দিন রথযাত্রা বন্ধ থাকবে। তারপর ৫ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত প্রতি বিধানসভায় ৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি রথযাত্রা হবে। রথযাত্রার উদ্বোধনে থাকবেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নীতীন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এছাড়া থাকতে পারেন শিবরাজ সিং চৌহান, নীতীন গড়কড়ি, দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ, স্মৃতি ইরানি এবং ধর্মেন্দ্র প্রধান। এছাড়া ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের উজ্জীবিত করতে ৬০টি বড় জনসভা এবং ৩০০টি ছোট জনসভা হবে। প্রতি বিধানসভায় ট্যাবলো, প্রচারাভিযান হবে। মার্চ মাসের শেষে রথযাত্রা শেষ হবে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির জনসভা দিয়ে। কবে জনসভা হবে, তার চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি।
প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও রথযাত্রা কর্মসূচি নিয়েছিল বঙ্গ বিজেপি। বিজেপির নিচুতলায় সংগঠন বহু জায়গাতেই তলানিতে। বহু বুথে কর্মী-সমর্থকরাও সক্রিয় নন। কাজেই বুথ থেকে মণ্ডলস্তরে সংগঠনকে ভোটের আগে চাঙ্গা করতে একুশের মতোই এবার ছাব্বিশেও রথযাত্রা কর্মসূচি নেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করছেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা।
