shono
Advertisement
CPM

কৌশলে ভোট বয়কটের দরজা খুলে রাখছে সিপিএম! বিজেপিকে সুবিধার পথে হাঁটছে আলিমুদ্দিন?

উভয় সংকটে পড়ে কৌশলে ভোট বয়কটের দরজাটা খুলে রাখতে চাইছে সিপিএম। মুখে নেতারা বলছেন, বিচারাধীন থাকা ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কোনও ভোট করানো যাবে না। নির্বাচন কমিশনে গিয়েও এই দাবি জানিয়ে এসেছে সিপিএম।
Published By: Suhrid DasPosted: 09:18 AM Mar 14, 2026Updated: 09:18 AM Mar 14, 2026

উভয় সংকটে পড়ে কৌশলে ভোট বয়কটের দরজাটা খুলে রাখতে চাইছে সিপিএম। মুখে নেতারা বলছেন, বিচারাধীন থাকা ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কোনও ভোট করানো যাবে না। নির্বাচন কমিশনে গিয়েও এই দাবি জানিয়ে এসেছে সিপিএম। কিন্তু অন্দরে কান পাতলে অন্য কথাও শোনা যাচ্ছে বলে খবর। আসলে দলের যা অভ‌্যন্তরীণ রিপোর্ট, আবার যদি পার্টি শূন‌্য হয়! একুশের বিধানসভা নির্বাচনের মতোই যদি ১টা আসনও না আসে তাহলে ফের ঘুরে দঁাড়ানোর লড়াইটা ভবিষ‌্যতের জন‌্য ধাক্কা খাবে।

Advertisement

দলের অন্দরের খবর, সিপিএমের প্রবীণ নেতারা ভোটে দঁাড়িয়ে হেরে নাক কাটতে নারাজ। আর তরুণরাও প্রার্থী হতে সামনে আসতে চাইছেন না! সিপিএম রাজ‌্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম চাইছেন, জোট ধরে সংখ‌্যালঘু এলাকা থেকে একটা আসন যদি বের করা যায়। সিপিএমের একটা অংশ তাই চাইছে, আবার মানসম্মান যদি যায়, প্রাপ্ত আসন শূন‌্যতে যদি থেকে যায় বা ১ কিংবা ২ হয়, তাহলেও পার্টির সার্বিক ঘুরে দঁাড়ানোর লড়াই ধাক্কা খাবে।  

একুশের হতাশাজনক ফলের পর ইনসাফ যাত্রা, ব্রিগেড সমাবেশ, বাংলা বাঁচাও যাত্রা করেছে সিপিএম। কিন্তু এবার ভোটে ফের যদি দল শূন্যের গেরো কাটাতে না পারে, তাহলে হতাশা আরও বাড়বে পার্টি কমরেডদের মধ্যে।

একুশের হতাশাজনক ফলের পর ইনসাফ যাত্রা, ব্রিগেড সমাবেশ, বাংলা বাঁচাও যাত্রা করেছে সিপিএম। কিন্তু এবার ভোটে ফের যদি দল শূন্যের গেরো কাটাতে না পারে, তাহলে হতাশা আরও বাড়বে পার্টি কমরেডদের মধ্যে। নিচুতলায় কমরেডদের ধরে রাখা যাবে না। তাই ভোট বয়কটের ডাক দিচ্ছে আলিমুদ্দিন। আর দ্বিতীয়ত, যেটুকু মমতা বিরোধী ভোট আছে সেটা বিজেপিতে পাঠিয়ে দিয়ে যদি তৃণমূলের খানিকটা ক্ষতি করা সম্ভব হয়। ভোট বয়কট মানে কমরেডরা ভোট দেবে না তা নয়, প্রার্থী দেবে না। কিন্তু কমরেডরা ভোটটা দিতে যাবে। তাহলে কাকে দেবে তারা?

বিজেপিকেই ভোট দেওয়ার দরজা খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সাংগঠনিক সমস‌্যাও রয়েছে। ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৮০ আসনে আবার তৃতীয় হবে বা জমানত জব্দ হবে। খুব বেশি হলে দেখা যাবে ৮-১০টি আসনে দ্বিতীয় স্থান। শূন্যের আশঙ্কাই থাকছে। অন‌্যদিকে, পার্টির প্রভাবশালী আরেকটি অংশ সুজনগোষ্ঠী বলছে, এভাবে লড়ে লাভ কী? ব‌্যক্তি কাউকে বিধায়ক করার জন‌্য তো আর পার্টি ভোট করছে না। এই সময় যদি শূন‌্য হয় বা একটা-দু’টো আসন হয় তাহলে তো লড়াইটাই আর কিছু থাকবে না। বিজেপি আমাদের ভোট পেয়ে বেড়েছে, তাহলে তৃণমূলের জয়গানও বেড়ে যাবে। কিছুটা হলেও ফিরে আসার লড়াইয়ে থাকতে হবে। ফলে কার্যত উভয় সংকটে পড়ে গিয়ে সিপিএম ভোট বয়কটের দরজাটা কৌশলে খুলে রাখছে। তবে শেষপর্যন্ত মুখরক্ষায় ভোটে থাকতেও পারে তারা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement