ভোটমুখী বাংলায় কলকাতায় নরেন্দ্র মোদি। শনিবার ব্রিগেডে প্রশাসনিক সভার পর জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। তার ঠিক আগে 'গো ব্যাক মোদি' হোর্ডিংয়ে ঢাকল গোটা কলকাতা। শহরের নানা প্রান্তে দেখা গিয়েছে এমন হোর্ডিং। কে বা কারা হোর্ডিং দিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, তাতে কোনও দল কিংবা ব্যক্তির নামোল্লেখ করা নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও জোরাল হয়েছে।
তবে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল 'বয়কট বিজেপি' স্লোগান দিয়ে যে লোগো প্রচার করেছে। তার সঙ্গে হুবহু মিল হোর্ডিংয়ে থাকা 'বয়কট বিজেপি' লোগোয়। যদিও এই বিষয়ে শাসক শিবিরের কারও তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অবশ্য গেরুয়া শিবির এই হোর্ডিংয়ের নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে। তবে কেউ কেউ বলছেন, তৃণমূল 'বয়কট বিজেপি' স্লোগান দিয়ে যে লোগো প্রচার করেছে। তার সঙ্গে হুবহু মিল হোর্ডিংয়ে থাকা 'বয়কট বিজেপি' লোগোয়। যদিও এই বিষয়ে শাসক শিবিরের কারও তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছেন।
কলকাতার রাস্তায় বিজেপি বিরোধী হোর্ডিং। নিজস্ব চিত্র
এদিকে, বিজেপির আগামিকালের সভায় আদৌ সমর্থকরা ভিড় জমাবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ব্রিগেডের জনসভার ফাঁকা চেয়ারের ছবি পোস্ট করে লেখেন, "মোদিজির ব্রিগেড? এমনভাবে জায়গা নষ্ট করে সাজানো হয়েছে যে ৪০ হাজার লোক এলে দেখে মনে হবে যেন কত লোক। মঞ্চ, ডি জোন, একদিক পুরো পার্কিং-এর জন্য ছাড়া। ৪২ হাজার চেয়ারের অর্ডার, ছড়িয়ে বসানো। লোক ভরবে না, জায়গা ভরবে।" তিনি আরও লেখেন, "অন্য রাজ্য থেকে লোক আনা হচ্ছে ট্রেনে, বাসে, গাড়িতে। এরাজ্যের কুড়ি হাজার লোকও আসার সম্ভাবনা নেই, বিজেপি সূত্রের খবর।"
শোনা যাচ্ছে, শনিবার ব্রিগেডের সভামঞ্চ থেকে নাকি বিরাট চমক দেবেন নরেন্দ্র মোদি। এখন দেখার বঙ্গসফরে সত্যি কোনও চমক দেন কিনা।
