প্রথম দফার পর এবার 'পাখির চোখ' রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের (Bengal Election 2026) দিকে। হাতে আর মাত্র দিন পাঁচেক। ব্যালটে ভাগ্য নির্ধারণের প্রাক্কালে শেষবেলার প্রচারে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন প্রার্থীরা। খাওয়া-নাওয়া ভুলে আমজনতার দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে জনসংযোগ সারছেন। এমন আবহে শুক্রবার আচমকাই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বাম প্রার্থী আফরিন বেগম শিল্পী। বাংলা সিনে'ইন্ডাস্ট্রি'র সঙ্গে সাক্ষাতের ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত নিজেই ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। আর সেই ছবি নেটভুবনে ছড়িয়ে পড়তেই কৌতূহলের ভিড়। সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি শেষবেলায় নতুন সমীকরণ?
সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে আবার বামেদের তরুণ তুর্কী দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সম্মুখ সমরে। তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অন্যদিকে বিজেপির 'তুরুপের তাস' ডক্টর শতরূপা। অতঃপর বালিগঞ্জ কেন্দ্র যে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের অন্যতম 'হটস্পট', তা বলাই বাহুল্য। তবে নির্বাচনী প্রচারের অন্তিম লগ্নে তাক লাগালেন বামেদের বালিগঞ্জের সলতে আফরিন বেগম।
আসলে নির্বাচনী আবহে রং-দল নির্বিশেষে প্রার্থীদের সঙ্গে তারকাদের ছবি ভাইরাল হলেই আতশকাচে রাজনৈতিক সমীকরণের খোঁজ পড়ে! বুম্বা-আফরিনের সাক্ষাতের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি! সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে আবার বামেদের তরুণ তুর্কী দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সম্মুখ সমরে। তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, অন্যদিকে বিজেপির 'তুরুপের তাস' ডক্টর শতরূপা। অতঃপর বালিগঞ্জ কেন্দ্র যে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের অন্যতম 'হটস্পট', তা বলাই বাহুল্য। তবে নির্বাচনী প্রচারের অন্তিম লগ্নে তাক লাগালেন বামেদের বালিগঞ্জের সলতে আফরিন বেগম। জনসংযোগের মাঝে সটান হাজির প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে। 'ইন্ডাস্ট্রি'র সঙ্গে রাজনীতির দূরদূরান্তের কোনও সম্পর্ক নেই, বললেও অত্যুক্তি হয় না। রং-দল নির্বিশেষে সর্বক্ষেত্রেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত! গত জানুয়ারি মাসেই পদ্মশ্রীপ্রাপ্তির পর 'বুম্বাদা'র বাড়িতে সুকান্ত মজুমদারকে দেখে অনেকেই বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে 'রাজনৈতিক গন্ধ' খুঁজে পেয়েছিলেন! এবার আফরিনের সাক্ষাতেও খানিক তেমন জল্পনাই উসকে গিয়েছে।
বলা ভালো, ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে দেখা করে বামপ্রার্থী যেন ভোটযুদ্ধের আগে তরবারিতে শান দিলেন। আফরিন বলছেন, "প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত। তাই..."
আসলে বালিগঞ্জ বরাবরই তৃণমূলের গড়। সেখানে লাল নিশান ওড়ানো মুখের কথা নয়! তাই ভোটপ্রচারের একেবারে অন্তিমলগ্নে প্রসেনজিতের সঙ্গে দেখা করে মাস্টারস্ট্রোক দিলেন আফরিন বেগম। তবে এটা নিতান্তই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ, যার নেপথ্যে রাজনীতির কোনও যোগসাজশ নেই। বলা ভালো, ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে দেখা করে বামপ্রার্থী যেন ভোটযুদ্ধের আগে তরবারিতে শান দিলেন। আফরিন বলছেন, "প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি আমার বালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত। তাই আজ ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারের ফাঁকে ওঁর সঙ্গে দেখা করে এলাম। ওঁর আশীর্বাদ আমাদের এই লড়াইয়ের পথ আরও সুদৃঢ় করবে।"
