বঙ্গে ভোট ঘোষণার পরেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক পুলিশকে বদলি করেছে নির্বাচন। এমনকী বদলি করা হয়েছে ১১জন জেলাশাসক-সহ ১৩ জন ডিইওকে। ওই সমস্ত জায়গায় নতুন নিয়োগও করেছে কমিশন। কিন্তু অভিযোগ উঠছে, পুরনো জেলাশাসকরা বাড়ি ছাড়তে চাইছেন না। ফলে বিপাকে পড়েছেন নয়া দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাশাসকরা। যদিও এই অভিযোগ সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে কমিশন। এক্ষেত্রে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের (সিইও) স্পষ্ট নির্দেশ, আগামী ২২ মার্চের মধ্যে বাংলোগুলি খালি করতে হবে।
শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে চ্যালেঞ্জ! সেই লক্ষ্যেই দফায় দফায় নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করছে সিইও দপ্তর। সম্প্রতি ডিইওদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয় কমিশনের। ভার্চুয়াল সেই বৈঠক হয়। আর সেখানেই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাশাসকরা বদলি হওয়া জেলাশাসকদের একাংশের বিরুদ্ধে সরব হন। অভিযোগ, সদ্য বদলি হওয়া জেলাশাসকরা অনেকেই এখনও বাংলো খালি করেননি। এক্ষেত্রে নির্বাচনের কাজ করতে সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলেও কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান নতুন জেলাশাসকদের একাংশ। বিশেষ করে মালদহ, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ বেশ কিছু জেলাশাসকরা বদলি হলেও বাংলো খালি করছেন না বলেও অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এরপরেই সিইও মনোজকুমার আগরওয়ালের কড়া নির্দেশ, আগামী ২২ মার্চের মধ্যে বাংলোগুলি খালি করতে হবে। কোনওভাবেই তা যে আটকে রাখা যাবে না তাও জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সম্প্রতি ডিইওদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয় কমিশনের। ভার্চুয়াল সেই বৈঠক হয়। আর সেখানেই নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাশাসকরা বদলি হওয়া জেলাশাসকদের একাংশের বিরুদ্ধে সরব হন। অভিযোগ, সদ্য বদলি হওয়া জেলাশাসকরা অনেকেই এখনও বাংলো খালি করেননি। এক্ষেত্রে নির্বাচনের কাজ করতে সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে বলেও কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান নতুন জেলাশাসকদের একাংশ।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভোটের আগে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ পুলিশ প্রশাসনের একাধিক শীর্ষস্তরে রদবদল নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, ''অঘোষিত নয়, এখানে ঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন হচ্ছে। লজ্জা! এর মধ্যেই ভোট করাচ্ছে বাংলায়। এত ভয় কীসের? বাংলা রাজ্যটা থাক, সেটাই চায় না বিজেপি। তাই ভোটের পর আসন পুনর্বিন্যাস চাইছে। প্রধানমন্ত্রী আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী – দুই ভাই মিলে এসব করছে।” জনতার উদ্দেশে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন, ”ভোটের আগে জোট বাঁধুন সকলে। আর অন্যদিকে তাকানোর সময় নেই। বিজেপিকে শিক্ষা দিন। বিজেপির টাকার প্রলোভনে পা দেবেন না, এটা চুরি করা টাকা। সীমান্ত থেকে টাকা, মাফিয়া, অস্ত্র ঢুকছে বাংলা। বাংলাকে রক্ষা করতে হলে বিজেপিকে রুখে দিন।” এমনকী মোদি-শাহের নাম করেও তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
