কারোর বয়স পঞ্চাশ, আবার কারো ষাট! আবার কারোর বা সত্তর ছুঁই ছুঁই। জীবনের শেষপ্রাম্তে দাঁড়িয়ে ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগেই মন খারাপ পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না ব্লকের অন্তর্গত শ্রীকন্ঠা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৪১২ ভোটারের। এর মধ্যে শ্রীকন্ঠা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩১ নম্বর পার্টে ৩২৩ জনের নাম বাদ পড়েছে। যা নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ ভোটাররা। শুধু তাই নয়, ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখান তাঁরা। ভোটার লিস্টে নাম বাদ যাওয়া বিক্ষোভরত ভোটারদের পাশে দাঁড়ান ময়না বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী চন্দন মন্ডল। ভোটারদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
তবে এবিষয়ে শ্রীকন্ঠা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষ বর্মন বলেন, এসআইআরের ফাঁদে ময়না ব্লকের শ্রীকন্ঠা গ্রামপঞ্চায়েতে সর্বাধিক নাম ডিলিট হয়েছে। এই গ্রামপঞ্চায়েতে নাম বাদ পড়েছে ৪১২ জনের। তারমধ্যে ৩১ নম্বর পার্টের একটি বুথেই বাদ পড়েছে ৩২৩ জন ভোটারের। তবে ট্রাইবুনালে আবেদন করা হয়েছে। নাম বাদ যাওয়ার পেছনে নির্বাচন কমিশনের উপরে আঙুল তুলেছেন পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। তবে এই প্রসঙ্গে ভোটার লিস্টে নাম বাদ যাওয়া গ্রামবাসী শেক আলেমিন অভিযোগ করেন, আমার বয়স সত্তর। জীবনে একাধিকবার ভোট দিয়েছি। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও শেষ বয়সে নাম বাদ গেল। কিন্তু কেন এই নাম বাদ জানি না। তবে ট্রাইবুনালে আবেদন করেছি। জানি না শেষমেষ কি হবে।
আরও এক শ্রীকন্ঠা গ্রামের নাম বাদ যাওয়া সেক সমিউল বলেন, আমি কর্মসূত্রে নেপালে থাকি। ভোটের কারনে কাজ বন্ধ রেখে দেশে ফিরে দেখা গেলো নাম বাদ পড়েছে ভোটার লিস্ট থেকে। পাসপোর্ট থেকে শুরু করে জমি জায়গা সব থাকলেও নির্বাচন কমিশন কি কারনে নাম বাদ দিল তা বুঝেউঠতে পারছি না। সবমিলিয়ে শুক্রবার বিকেল থেকে শ্রীকন্ঠা গ্রামের ৩১ নম্বর পার্টের বাদযাওয়া বহু গ্রামবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।দেখার বিষয় ট্রাইবুনালে আবেদনের পর কতজন ভোটারের নাম অন্তর্ভূক্ত হয় সেই দিকেই তাকিয়ে শ্রীকন্ঠা পঞ্চায়েত এলাকার মানুষজন।
