বিধানসভা নির্বাচনমুখী বাংলায় ফের 'অ্যাকশনে' নির্বাচন কমিশন। এবার ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারির পদক্ষেপ। কমিশনের নির্দেশ মতো শুক্রবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারির পর শুক্রবার ফের কমিশন নির্দেশ দেয়, কোনওভাবেই কোনও ভোটারকে ভয় দেখানো যাবে না। যে বা যারা আইন ভাঙবে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজু মণ্ডলের হুঁশিয়ারি, "পদ্মফুলে ভোট দেওয়া যাবে না। যদি ভোট নিয়ে কোনও গোলমাল হয়, ভোট দিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বাড়িতে ছানাবড়া, রসগোল্লা পাঠিয়ে গেব। আর যদি ভোট দিতেই হয়, তবে দিতে হবে তৃণমূলকে।" তৃণমূল নেতার আরও দাবি, প্রতিটি বাড়ির ভোট কোন দিকে যাচ্ছে তা নাকি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। এবং তা নথিভুক্ত করে রাখা হবে।
ধৃত তৃণমূল নেতা রাজু মণ্ডল। তিনি বহরমপুর তৃণমূলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। ওই ভিডিওতে তাঁকে প্রকাশ্যে হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে। রাজু বলেছেন, "পদ্মফুলে ভোট দেওয়া যাবে না। যদি ভোট নিয়ে কোনও গোলমাল হয়, ভোট দিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বাড়িতে ছানাবড়া, রসগোল্লা পাঠিয়ে গেব। আর যদি ভোট দিতেই হয়, তবে দিতে হবে তৃণমূলকে।" তৃণমূল নেতার আরও দাবি, প্রতিটি বাড়ির ভোট কোন দিকে যাচ্ছে তা নাকি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। এবং তা নথিভুক্ত করে রাখা হবে।
এই ভিডিও নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায়। এমন মন্তব্যের বিরোধিতায় শুরু হয় বাক তরজা। বিরোধীদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে এভাবে ভয় দেখিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতা। এটাই ভোটমুখী বাংলার আসল চেহারা বলেও দাবি করেন পদ্মশিবিরের নেতা-কর্মীরা। এই ভিডিওটি নজরে আসে নির্বাচন কমিশনেরও। তাতেই নড়েচড়ে বসেন আধিকারিকরা। অবশেষে কমিশনের নির্দেশে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
