shono
Advertisement
Adhir Chowdhury

অধীরের সামনেই প্রচার মিছিলে হাতাহাতি-ধাক্কাধাক্কি, বহরমপুরে তুলকালাম

শনিবার সকালে বহরমপুরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচার করছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। অভিযোগ, প্রচারে বাধা দেওয়া হয়।
Published By: Sayani SenPosted: 09:14 AM Apr 04, 2026Updated: 09:48 AM Apr 04, 2026

অধীর চৌধুরীর প্রচারে বহরমপুরে তুলকালাম। শনিবার সকালে বহরমপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচার করছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। অভিযোগ, প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। তা নিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের। দু'পক্ষের বচসা হাতাহাতির চেহারা নেয় নিমেষে। আপাতত উত্তপ্ত গোটা এলাকা।

Advertisement

বহরমপুরে ভোট প্রচারে অধীর চৌধুরী। ৪ এপ্রিল, ২০২৬। নিজস্ব চিত্র

শনিবার সকালে বহরমপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচার করছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। অভিযোগ, প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। তা নিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের। দু'পক্ষের বচসা হাতাহাতির চেহারা নেয় নিমেষে।

কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, অধীর চৌধুরী ভোটপ্রচার করতে যাবেন, সেকথা জেনে তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে একদল যুবক ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। কংগ্রেস কর্মীরা এলাকায় পৌঁছনো মাত্রই অধীরকে লক্ষ্য করে 'গো ব্যাক' স্লোগান দেওয়া হয়। পালটা আবার কংগ্রেস কর্মীরাও স্লোগান দিতে থাকেন। তা নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে অশান্তি বেঁধে যায়। হাতাহাতি শুরু হয়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনওক্রমে অধীরবাবুকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অধীরবাবু তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের 'কুকুরের বাচ্চা' বলে তোপ দাগেন। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, "আমি মানুষের কাছে প্রচারে এসেছি। ওরা ভয় পাচ্ছে। মারলে পিষে দেব।"

১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ভীষ্মদেব কর্মকার বলেন, "তৃণমূল নেতা-কর্মীরা রোজ সকালে পাড়ায় বেরয়। আজ হঠাৎ করে দেখছি কংগ্রেস প্রার্থী বহিরাগতদের নিয়ে এসে মিছিল করছে। ভোটপ্রচার যে কেউ করতেই পারে। ওঁর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়েছেন। উনি ভাবছেন এভাবে হারিয়ে যাওয়া, আতঙ্কিত করা মাটি, খুনের রাজনীতি, আতঙ্কের রাজনীতি আজও মানুষ ভয় পান। আমরা দেখলাম এলাকার মানুষও 'গো ব্যাক' স্লোগান দিয়েছেন। এটাই ভালো লেগেছে। তাই যে পথ দিয়ে এসেছিলেন, তার উলটো পথ দিয়ে চলে গিয়েছেন অধীরবাবু।" 

বলে রাখা ভালো, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের কাছে প্রায় ৮৫ হাজার ভোটে হেরে যান অধীর চৌধুরী। তারপর থেকে দলের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয় তাঁর। ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে সেই অধীরের উপরেই আস্থা রেখেছে কংগ্রেস। হারানো জমি ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় বহরমপুর থেকে ভোটে লড়ছেন তিনি। ১৯৯৬ সালের পর দীর্ঘ ৩০ বছর পর আবারও বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে নেমেছেন কংগ্রেস নেতা। গত বৃহস্পতিবারই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement