কোনও আধিকারিক রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে, তা আগেই জানিয়েছিল কমিশন। সেইমতো এবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ বিধানসভার এআরও তথা জয়েন্ট বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে সাসপেন্ড করল কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হল। অভিযোগ, ওই এআরও তৃণমূলের হয়ে প্রচার করেছে এলাকায়।
পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ বিধানসভার এআরও তথা জয়েন্ট বিডিও জ্যোৎস্না খাতুনকে সাসপেন্ড করল কমিশন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দেওয়া হল। অভিযোগ, ওই এআরও তৃণমূলের হয়ে প্রচার করেছে এলাকায়।
কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিক রাজনৈতিক দলের হয়ে কোনও কাজ করতে পারেন না। তাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়। আর যিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন তাঁকে শাস্তি দিতে পারে কমিশন। জ্যোৎস্না খাতুন নির্বাচনের কাজের সঙ্গে যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছিলেন বলে অভিযোগ। সে কারণে তাঁর উপর নামল শাস্তির খাঁড়া।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, সিইও এবং সব জেলার জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সূত্রের খবর, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হয়। মালদহের মোথাবাড়ির পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে সংক্রান্ত কড়া নির্দেশ দেন তিনি। যাঁরা দায়িত্বরত আধিকারিক তাঁরা কাজে 'ভুলভ্রান্তি' করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি আধিকারিকের দিকে কড়া নজর রেখেছে কমিশন। প্রয়োজনমতো ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে বলেই খবর। ইতিমধ্যে একাধিক আধিকারিককে সাসপেন্ড, শোকজ করাও হয়েছে। এবার সেই তালিকাতেই নাম জুড়ল জ্যোৎস্না খাতুনের।
