কাউন্সিলর থেকে বিধায়ক। তারপর সাংসদ। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। এবার এগরা আসনে পদ্ম ফুলের প্রতীকে লড়াই করছেন। তিনি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী।
রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা দিব্যেন্দু অধিকারীর ভোটের ময়দানে অভিজ্ঞতা নেহাত কম নয়। দীর্ঘদিন তৃণমূলের কাউন্সিলর হিসাবে দায়িত্ব করেছেন। ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। ২০১৬ সালে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের সাংসদ হিসাবে পদত্যাগ করে রাজ্যের মন্ত্রী হলে, তাঁর আসনের উপনির্বাচনে এই দিব্যেন্দুকেই প্রার্থী করে তৃণমূল। জিতে লোকসভায় যান। ২০২৪ সাল পর্যন্ত খাতায় কলমে তৃণমূলের সাংসদ ছিলেন। এরমধ্যে শুভেন্দু দলবদল করে বিজেপিতে চলে গিয়েছেন। তারপর দাদার হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে যান দিব্যেন্দুও। এই নির্বাচনে তাঁকে এগরায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। জিতবেন কিনা, তা সময় বলবে।
তবে এই দীর্ঘ সময় সক্রিয় রাজনীতে থাকা দিব্যেন্দু অধিকারীর সম্পত্তি কত? হাতে নগদ বা কত রয়েছে? নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, দিব্যেন্দুর বার্ষিক আয় ২৪ লক্ষ ৯৪ হাজার ৪৪০টাকা (২০২৪-২০২৫ অর্থবর্ষ অনুযায়ী)। বর্তমানে তাঁর হাতে নগদ রয়েছে ৩০ হাজার টাকা। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক ও বিমা ও বন্ডে তাঁর বিনিয়োগ ৭২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৬০৮। রয়েছে দু'টি বিলাসবহুল গাড়িও। যার দাম আনুমানিক ২৮ লক্ষ টাকা। সোনা রয়েছে ২২ গ্রাম। যার বাজারমূল্য ৪৮ হাজার। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি মোট ১ কোটি ২ লক্ষ ১৮ হাজার ৬১০।
দিব্যেন্দুর স্ত্রী সুতপা অধিকারী মুখোপাধ্যায়ের হাতে নগদ রয়েছে ২০ হাজার টাকা। তাঁর কাছে থাকার সোনা বাজারমূল্য ১৮৫ গ্রাম ৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ২৯০ টাকা। সুতপার নামে রয়েছে তিনটি বিলাসবহুল গাড়িও। যার বাজারমূল্য ৪৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ২৪৫ টাকা। মোট অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২ কোটি লক্ষ ১৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ৫৭৭ টাকা।
লম্বা রাজনৈতিক জীবনে ফৌজিদারি মামলাও রয়েছে দিব্যেন্দুর নামে। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, তাঁর নামে মোট ৫টি ফৌজদারি মামলা আদালতে বিচারাধীন। কাঁথি থানা থেকে বিধাননগর থানাতে তাঁর নামে মামলা চলছে। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এবার অপেক্ষা ফলাফলের।
