ভোটপ্রচারে বেরিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার। কনভয়ে থাকা পাইলট কারের সঙ্গে একটি কন্টেনারের ধাক্কা। শুক্রবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের উলুবেড়িয়া থানার বীরশিবপুর উড়ালপুলের উপর। তবে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বিদায়ী মন্ত্রী তথা বিনপুরের প্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা।
শুক্রবার রাতে কলকাতায় নির্বাচনের প্রচারের কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন বীরবাহা হাঁসদা। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঝাড়গ্রাম থেকে সড়কপথে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন বিদায়ী মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা। রাত বারোটা নাগাদ বীরশিবপুর ফ্লাইওভারের কাছে পুলিশের পাইলট কার নিয়ন্ত্রণ হারায়। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কন্টেনারের পিছনে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনায় পুলিশের গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়।
গাড়িতে থাকা পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর এবং একজন কনস্টেবল আহত হন। দুর্ঘটনার পর আহত দুই পুলিশকর্মীকে উদ্ধার করা হয়। উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। দুর্ঘটনার পর উলুবেড়িয়া মেডিক্যাল কলেজে যান মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা, মন্ত্রী পুলক রায়, উলুবেড়িয়া পূর্ব তৃণমূল প্রার্থী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। পরে মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
বলে রাখা ভালো, ঝাড়খণ্ডি আন্দোলনের প্রবাদপ্রতীম নেতা তথা দু’বারের প্রাক্তন বিধায়ক প্রয়াত নরেন হাঁসদা এবং প্রাক্তন বিধায়ক চুনীবালা হাঁসদার মেয়ে বীরবাহা হাঁসদা। তাঁর মা চুনীবালা হাঁসদা লড়াকু মহিলা। ঝাড়খণ্ড পার্টির সদস্য ছিলেন তিনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের বিনপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত বিধায়ক ছিলেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দেন তাঁর মেয়ে বীরবাহা। আর তারপরই মেয়েকে জেতাতে সেবার ঝাড়গ্রাম বিধানসভা আসনে জেতাতে কোনও প্রার্থীও দেননি তিনি। এবার বিনপুর থেকে লড়ছেন তিনি। কেন্দ্র বদল হয়েছে তবে জয়ের বিষয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসী বীরবাহা।
