দু'চারটে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছাড়া মোটের উপর নির্বিঘ্নেই কেটেছে প্রথম দফার নির্বাচন। কমিশনের তৎপরতায় রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২ আসনে প্রায় শান্তিপূর্ণই মিটেছে ভোট। প্রযুক্তি, পরিকল্পনা আর পরিশ্রমেই যে সাফল্য এনে দিয়েছে, তা আগেই বলছে নির্বাচন কমিশন। এবার দ্বিতীয় দফার আগেও কড়া হাতে হাল ধরতে প্রস্তুত সিইও।
সপ্তাহান্তেই ময়দানে নেমে পড়লেন বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। আরামবাগ, বনগাঁ, ব্যারাকপুর ও সন্দেশখালিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন সিইও। সূত্রের খবর, চার কেন্দ্রে বিশেষ বৈঠকে বসবেন তিনি। জেলায় জেলায় টহলদারিতে সিইও-র সঙ্গে থাকবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত ও বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্রও। বারাকপুর, নিউটাউন, কৃষ্ণনগরেও বৈঠক। কাল ডায়মন্ড হারবার সিইও-র বৈঠক হওয়ার কথা।
সূত্রের খবর, প্রথম দফা নির্বাচনের মতো দু'একটি বিচ্ছিন্ন অশান্তিও যাতে না ঘটে, তার জন্যই শেষ মুহুর্তের চেষ্টা করছেন কমিশনের আধিকারিকরা। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিটি থানার ওসি-দের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। আইন-শৃঙ্খলার বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করার পাশাপাশি বুথ স্তরে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেবেন তিনি। মূলত স্পর্শকাতর বুথগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন ও নজরদারি বাড়ানোই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগেই আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। ভোটের নজরদারি আরও আঁটোসাঁটো করার উদ্দেশেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রথম দফার ভোটে যেটুকু অশান্তি হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় তার সম্ভাবনাও দূর করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন।
