কিছু সময়ের ভয়াবহ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। তার জেরে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল আলিপুরদুয়ারের একাধিক এলাকা। জলদাপাড়া এলাকায় প্রচুর সংখ্যায় বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। জাতীয় সড়কও গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বলে খবর। ভোরবেলার এই কালবৈশাখীর জেরে বহু বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধারকাজ শুরু করেছে প্রশাসন।
আজ, শনিবার সকাল সাতটায় গোটা আলিপুর জেলাতেই ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। কালবৈশাখীর জেরে স্থানীয়রা ভীত হয়ে যান। বেশ কিছু সময়ের ঝড়ের পাশাপাশি ব্যাপক শিল পড়ে। মুষলধারে বৃষ্টিও চলে। এই দুর্যোগের কারণে জেলার বিভিন্ন অংশে প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রে খবর। বক্সা টাইগার রিজার্ভের দমনপুরে একটি রিসর্ট তছনছ হয়ে গিয়েছে। রিসর্টের উপর একটি অতিকায় শালগাছ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তবে কোনও প্রাণহানি হয়নি বলেই খবর।
এলাকায় প্রচুর সংখ্যায় গাছ পড়েছে। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানেও একাধিক বড় গাছ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। দমনপুরে বড় বড় একাধিক গাছ উপরে পড়ে আলিপুরদুয়ার শহর থেকে ৩১ সি জাতীয় সড়কের সংযোগকারী রাস্তা বিএফ রোড বন্ধ হয়ে যায়। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত থমকে গিয়েছে। জেলার একাধিক বাড়িও এদিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা চলছে। আলিপুরদুয়ার শহরের সূর্যনগরের রাস্তাজল মগ্ন হয়ে পড়ে। নির্মীয়মাণ এই রাস্তা জলমগ্ন হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় মানুষজন।
গাছ পড়ে ভেঙে গিয়েছে রিসর্ট। নিজস্ব চিত্র
প্রসঙ্গত, ভোটের আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল গোটা জেলা। একাধিক জায়গায় বিদ্যুতের পোল ভেঙে পড়েছিল। জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। সেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে না হতেই ফের জেলার উপর দিয়ে বিধ্বংসী ঝড় বয়ে গেল। ফের বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।
