আগামী সোমবার সম্ভবত বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, তার আগে প্রার্থীতালিকা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত বিজেপি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপি নির্বাচনী কমিটি। থাকতে পারেন নরেন্দ্র মোদিও। আগামী শনিবার বঙ্গ সফরে আসছেন মোদি। তার আগে এদিনের বৈঠক যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
বাংলার একাধিক ভোটে তেমন আশানুরূপ ফল হয়নি বিজেপির। ছাব্বিশের নির্বাচন গেরুয়া শিবিরের কাছে 'ডু অর ডাই' ম্যাচের মতো। বিজেপির তারকা প্রচারক মিঠুন চক্রবর্তী এক জনসভার মঞ্চ থেকে সেকথা আগেই দাবি করেছেন। এবার আবার ভোট হবে এসআইআর পরবর্তী পরিস্থিতিতে। তাই এবারের ভোট নিয়ে বঙ্গ বিজেপির মাথাব্য়থা অনেক বেশি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গ বিজেপির অবস্থা এখনও বেশ সঙ্গীণ। একে তো দক্ষ সংগঠকের অভাব। তার উপর অন্তর্কলহ তো রয়েছে। এসআইআর ভোটবাক্সে বিজেপিকে তেমন লাভ দিতে পারবে না বলেও মনে করা হচ্ছে। তাই যথেষ্ট চাপে পদ্মশিবির।
এই পরিস্থিতিতে প্রার্থীতালিকা সাজানোর ক্ষেত্রেও বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। জানা গিয়েছে, যাঁরা এই মুহূর্তে বিধায়ক, তাঁদের প্রায় সকলেই ভোটে টিকিট পাচ্ছেন। এছাড়া দক্ষ সংগঠক হিসাবে পরিচিত সকলকেই দেওয়া হতে পারে টিকিট। সেক্ষেত্রে দিলীপ ঘোষ টিকিট পান কিনা, পেলেও তাঁকে কোন কেন্দ্র দেওয়া হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রয়েছে সকলের। মোদির মুখে বারবার তরুণ প্রজন্মের কথা শোনা যায়। সূত্রের খবর, তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসাবে বেশ কয়েকজনকে টিকিট দেওয়া হতে পারে। তবে শোনা যাচ্ছে, শুধুমাত্র বিনোদুনিয়ার গ্ল্যামার কাজে লাগিয়ে ভোট জয়ের পক্ষে নয় গেরুয়া শিবির। তাই দলের সঙ্গে যুক্ত নয় তেমন কোনও তারকাকে টিকিট দেওয়া হবে না। যদিও কারা টিকিট পাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর।
