নির্বাচনে (WB Assembly Election 2026) জিতে নতুন দল গঠন করার কিছুদিনের মধ্যেই বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। এর মাঝে ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে হারাতে বিজেপির সঙ্গে হুমায়ুনের 'ডিল' ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ভোটের আগেই একের পর এক প্রার্থী লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে উলুবেড়িয়া দক্ষিণের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী শেখ হাবিব দলত্যাগ করলেন। বিদায়ী মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী পুলক রায়ের হাত ধরে তিনি যোগ দিলেন তৃণমূলে।
শেখ হাবিবের কথায়, ‘‘হুমায়ুনের পার্টিতে আমি গিয়েছিলাম এই ভেবে যে উনি সৎভাবে মুসলিমদের জন্য কিছু করতে চাইছেন। কিন্তু বাইরে থেকে দেখে তো কিছু বোঝা যায় না। উলুবেড়িয়া দক্ষিণের প্রার্থী হওয়ার পর ওঁর সঙ্গে মিশে বুঝলাম, উনি ধান্দাবাজ। উনি বিজেপির সঙ্গে পরোক্ষভাবে যোগসাজশ করেছেন। উনি কারও ভালো চান না। ওঁর সঙ্গে থাকা যায় না। আমার হিসেব বলছে, রাজ্যে যে ১৮২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তাদের মধ্যে ৮০ জনই চলে গিয়েছে।''
আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল বঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ভোট ১৪২ আসনে। ভাগ্যপরীক্ষা হবে উলুবেড়িয়া দক্ষিণের প্রার্থীদেরও। কিন্তু তার আগে, শনিবার ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন উলুবেড়িয়া দক্ষিণের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী শেখ হাবিব। রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পুলক রায়ের হাত ধরে দলীয় পতাকা তুলে নেন তিনি। দলবদলের কারণ হিসেবে রীতিমতো বিস্ফোরক সব কথা বললেন শেখ হাবিব।
তাঁর কথায়, ‘‘হুমায়ুনের পার্টিতে আমি গিয়েছিলাম এই ভেবে যে উনি সৎভাবে মুসলিমদের জন্য কিছু করতে চাইছেন। কিন্তু বাইরে থেকে দেখে তো কিছু বোঝা যায় না। উলুবেড়িয়া দক্ষিণের প্রার্থী হওয়ার পর ওঁর সঙ্গে মিশে বুঝলাম, উনি ধান্দাবাজ। উনি বিজেপির সঙ্গে পরোক্ষভাবে যোগসাজশ করেছেন। উনি কারও ভালো চান না। ওঁর সঙ্গে থাকা যায় না। আমার হিসেব বলছে, রাজ্যে যে ১৮২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তাদের মধ্যে ৮০ জনই চলে গিয়েছে।'' শেখ হাবিবের আরও জানিয়েছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সংখ্যালঘুদের জন্য কাজ করেছেন এবং হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন, তাতে আমরা ভালো আছি। তাঁর এই কাজের সঙ্গে থাকতে চেয়ে আমি আজ তৃণমূলে যোগ দিলাম। এখানকার তৃণমূল প্রার্থী পুলক রায়ের হয়ে কাজ করব।''
