গোটা রাজ্যের পাশাপাশি উত্তরের পাহাড় সমতলেও বঙ্গের মসনদ দখলের সংসদীয় লড়াইয়ের পারদ ক্রমেই চড়ছে। তারই মধ্যে এসআইআরে লাখ লাখ মানুষের নাম বাদ যাওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে জনমানসে। যার প্রভাব পড়ছে রাজনীতিতে। এরই মধ্যে দিল্লি থেকে দার্জিলিং জেলায় উড়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর সভায় তিনি ছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন। ওইদিন তিনি প্রার্থীদের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেবেন। তবে কাওয়াখালির মাঠ ভরাতে গোটা উত্তরবঙ্গ-সহ পাহাড় থেকে লোক আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক সম্মেলনে জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। পাশাপাশি তিনি এদিন স্বীকার করেন, এসআইআরে নাম বাদ যাওয়ায় তাঁরাও কিছুটা চিন্তিত। গেরুয়া সাংসদের এহেন মন্তব্যে রীতমতো জল্পনা তৈরি হয়েছে
রবিবার জনসভার জন্য ইতিমধ্যে কাওয়াখালিতে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। মোদির জন্য মঞ্চও তৈরি হচ্ছে। এদিন সন্ধ্যায় তা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সাংসদ রাজু বিস্তাসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। তবে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে রাজু বলেন, "প্রধানমন্ত্রী যখন সভা করে আসনে, তখন তা শোনার জন্য সকলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন। তাই সব জায়গা থেকে মানুষ আসবেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য। কয়েক লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ হবে এখানে। এছাড়াও পরে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী থেকে হিমন্ত বিশ্বশর্মার আসার কথা রয়েছে।"
চলছে মোদির সভার প্রস্তুতি।
এছাড়া তিনি এসআইআর (SIR in West Bengal) নিয়ে রাজ্যের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর কথায় নাম বাদ পড়ার জন্য দায়ী রাজ্য সরকারের প্রশাসন। এই নাম বাদ যাওয়ায় তাঁরাও কিছুটা হলে ক্ষতিগ্রস্ত। এবিষয়ে রাজু বলেন, "এসআইআরে কাজ করেছেন রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা আধিকারিকরা। তাঁদের গড়িমসির জন্য এত সময় লেগে গেল। এই যে নাম বাদ গিয়েছে তার মধ্যে আমাদেরও অনেকে আছেন। এর দায় রাজ্যকেই নিতে হবে।" যদিও তার এই অভিযোগ শুনে হতবাক হয়ে যান তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব। তিনি বলেন, "উনি সাংসদ হয়ে একথা কী করে বলেন! পুরো কাজটাই নির্বাচন কমিশন করেছে। দিল্লি থেকে কলকাঠি নেড়েই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর ফল তারা ভোটে পেয়ে যাবে। মানুষ এসবের জন্য ক্ষিপ্ত।"
