বিধানসভা ভোটের মাঝে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তুঙ্গে উত্তেজনা। নরেন্দ্র মোদির সুরে সুর মিলিয়ে বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সমালোচনায় সরব দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে ইকো পার্কে দাঁড়িয়ে জোরাল আক্রমণ তাঁর।
দিলীপ বলেন, "যাদবপুর ভালো ছেলেদের পড়ার জায়গা হলেও ওটা এখন দেশবিরোধী কার্যকলাপের আখড়া। ওখানে অসভ্য বানানোর ফ্যাক্টরি খোলা হয়েছে। বাবুল সুপ্রিয় বা রাজ্যপালের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। আমরা ওখানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিলাম, সেটা যেন কেউ ভুলে না যায়।"
দিলীপ বলেন, "যাদবপুর ভালো ছেলেদের পড়ার জায়গা হলেও ওটা এখন দেশবিরোধী কার্যকলাপের আখড়া। ওখানে অসভ্য বানানোর ফ্যাক্টরি খোলা হয়েছে। বাবুল সুপ্রিয় বা রাজ্যপালের সঙ্গে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। আমরা ওখানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিলাম, সেটা যেন কেউ ভুলে না যায়।"
ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার। বারুইপুরে ভোটপ্রচারে এসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বজোড়া খ্যাতির তকমা স্মরণ করিয়ে মোদি বিস্ফোরক দাবি করেন। বলেন, “গোটা বিশ্বে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সম্মানের সঙ্গে নেওয়া হত৷ এই ক্যাম্পাসের ভিত্তিই ছিল জাতীয়তাবাদ৷ কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখুন, ক্যাম্পাসের ভিতরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে৷ দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে৷ পড়াশোনার বদলে ছাত্রদের রাস্তায় আন্দোলন করতে বাধ্য করা হচ্ছে৷ এখানে অরাজকতার বদলে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করতে চাই৷ হুমকির বদলে সহমর্মিতা চাই৷” যাদবপুরের প্রসঙ্গে টেনে তৃণমূল সরকারকে বিঁধে তীব্র সমালোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, “যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে পারে না, তারা বাংলার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে কী করে রক্ষা করবে?”
হাওড়ার সভা থেকে মোদির যাদবপুর প্রসঙ্গ টেনে পালটা জবাব দেন মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর আক্রমণ শানিয়ে বলেন, "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। আমাদের যুবক-যুবতীরা আমাদের গর্ব। যাদবপুর দেশের এক নম্বরে। বলছে ওখানে নাকি নৈরাজ্য চলছে। আমি মনে করি ছাত্র-যুবদের প্রতিবাদ করা উচিত।” এক্স হ্যান্ডেলেও তোপ দাগেন তিনি। এবার মোদির সুরে সুর মেলালেন দিলীপ ঘোষও।
