হাতে এক মাসেরও কম সময়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন (Bengal Election 2026) করানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে ময়দানে 'অতি সক্রিয়' নির্বাচন কমিশন। আঁটসাঁট করা হচ্ছে নিরাপত্তা বলয়। অশান্তি দেখলেই হবে অ্যাকশন! এই চিন্তাভাবনা নিয়েই এগোচ্ছেন ইসিআই কর্তারা। কিন্তু অশান্তির খবর দ্রুত কীভাবে পৌঁছবে কমিশনে? তার জন্যই এবার বুথে বুথে নামছে AI।
ওয়েব কাস্টিংয়ের জন্য প্রতিটা ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বুথে থাকবে AI চালিত কমিশনের নজরদারি ক্যামেরা। অনেক মানুষ একসঙ্গে বুথে ঢুকলেই ধরা পড়বে 'পাহারাদার' ক্যামেরায়। কোনওরকম অসঙ্গতি, অশান্তির ছবি ধরা পড়লেই সোজা কমিশনে খবর দেবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। জেলায় জেলায় থাকবে কমিশনের কন্ট্রোল রুম।
সূত্রের খবর, ৬৬০টি টিভিতে নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন। সিইও অফিস থেকে ফ্লাইং স্কোয়াডের গাড়ি, ক্যামেরার নজরে থাকবে সব। ভোটকেন্দ্রের দরজায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
সূত্রের খবর, এবার ওয়েব কাস্টিংয়ে চার ধাপে চলবে নজরদারি। প্রথম ধাপে নজর রাখবেন রিটার্নিং অফিসাররা। তারপর থাকছেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, এরপরে সিইও। দিল্লির নির্বাচন দপ্তর থেকেও প্রতি মুহূর্তে চলবে নজরদারি। সূত্রের খবর, ৬৬০টি টিভিতে নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন। সিইও অফিস থেকে ফ্লাইং স্কোয়াডের গাড়ি, ক্যামেরার নজরে থাকবে সব। ভোটকেন্দ্রের দরজায় থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সিইও মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, 'বুথের ভিতরে চারজনের বেশি লোক একসঙ্গে ঢুকতে পারবেন না। বেশি লোক ঢুকলেই এআই ক্যামেরা আমাদের জানিয়ে দেবে।'
কিন্তু এআই চালিত ক্যামেরা যে 'খবর' পাঠাবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির কপালে এখনই চিন্তার ভাঁজ। প্রসঙ্গত, এবারের এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন বহু মানুষের কাছে গিয়েছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা তথ্যগত অসঙ্গতির নোটিস। নেপথ্যের কারিগর কমিশনের 'ভরসার পাত্র' সেই AI. কারও নামের বানান ভুল, কারও আবার পদবি নিয়ে গন্ডগোল। যা নিয়ে চাপানউতোর কম হয়নি। এসআইআর-এর কাজে এআই ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় কারচুপি করা হতে পারে বলেও সুপ্রিম কোর্টে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার জেরে কমিশনকে সর্বোচ্চ আদালতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল। তারপরেও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে প্রযুক্তিতেই আস্থা রাখতে চাইছে কমিশন!
