রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। আগামী মাসে দু'দফায় ভোট। রবিবারই নির্বাচন কমিশন সেই সূচি ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলির অন্দরে চরম ব্যস্ততা, লড়াইয়ের প্রস্তুতি তুঙ্গে। চলছে দলবদলের পালাও। এই আবহে 'ঘর ওয়াপসি' হল বনগাঁ পুরসভার তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলরের। সুমতি পোদ্দার নামে ওই নেত্রী বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরলেন। দলীয় পতাকা হাতে আবেগপ্রবণ হয়ে সুমতিদেবী জানালেন, বিজেপিতে থাকলেও মনটা পড়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসে।
দলে ফিরে সুমতি পোদ্দার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। জানান, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সম্পর্ক। তিনি বিজেপিতে থাকলেও মনটা পড়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসেই।
বনগাঁ পুরসভার দীর্ঘদিনের তৃণমূল কাউন্সিলর সুমতি পোদ্দার। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলত্যাগ করে তিনি বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তৎকালীন তৃণমূলের বনগাঁ পৌরসভার পৌরপ্রধান শংকর আঢ্যর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন সুমতিদেবী। এরপর অবশ্য ইছামতী দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে রাজনীতি থেকে বেশ কিছুটা দূরেই থাকতেন তৃণমূলের এই প্রাক্তন কাউন্সিলর। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
রবিবার বনগাঁ জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাসের হাত ধরে পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করলেন সুমতি দেবী। ঘরের সদস্য ঘরে ফিরে এলেন বলে মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলে ফিরে সুমতি পোদ্দার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। জানান, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সম্পর্ক। তিনি বিজেপিতে থাকলেও মনটা পড়ে ছিল তৃণমূল কংগ্রেসেই। তাই ঘরে ফিরলেন।আসন্ন ভোটে প্রার্থী হবেন? এ প্রশ্নের উত্তর অবশ্য এখনও পাওয়া যায়নি। আগামী ২৯ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় বনগাঁর সবকটি আসনে ভোট।
যদিও সুমতিদেবীর এই দলবদল নিয়ে জেলার গেরুয়া শিবিরে শুরু হয়েছে সমালোচনা। বনগাঁ পৌরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর দেবদাস মণ্ডলের দাবি করেন, পরিবারকে না জানিয়ে, সুমতি পোদ্দারকে কীর্তনে নিয়ে যাওয়ার নাম করে দলীয় সভায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভুল বুঝিয়ে তৃণমূলের পতাকা তাঁর হাতে তুলে দিয়ে দলে টানা হয়েছে।
