এসআইআরের খসড়া তালিকায় তাঁর নাম ছিল 'বিচারাধীন'। বিচারের পর দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। দেখা গেল 'বিচারাধীন' সেই নাম এবার 'বাদের' তালিকায়! ঘটনাটি ঘটেছে রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ, এসইউসি-র প্রাজ্ঞ নেতা পেশায় চিকিৎসক তরুণ মণ্ডলের সঙ্গে। তাঁর স্ত্রী মহুয়ার নামও বিবেচনাধীন ছিল। নাম বাদের ঘটনা জানাজানি হতেই শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য।
গতকাল, শুক্রবার রাতে রাজ্যে দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। কত নাম থাকল, কত নাম বাদ গেল? সেই বিষয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে আগের মতোই। এদিন জানা গিয়েছে, প্রাক্তন সাংসদ তরুণ মণ্ডলের নাম বাদ চলে গিয়েছে সদ্য প্রকাশিত এসআইআর তালিকায়! প্রসঙ্গত, বাম আমলে রাজ্য-রাজনীতিতে এসইউসি নেতা তরুণ মণ্ডল যথেষ্ঠ পরিচিত মুখ ছিলেন। ২০০৯ সালের লোকসভা আসনে কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেসের জোটের সমর্থনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর থেকে এসইউসি প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সাংসদ হিসেবে দিল্লিতেও গিয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি ভোটে পরাজিত হন।
এখন তরুণ মণ্ডল সস্ত্রীক হাওড়ার বাসিন্দা। দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা ২৭৯ নম্বর বুথে তাঁর নাম ছিল। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল স্বামী-স্ত্রী দু'জনেই বিচারাধীন। শুনানিতে ডাকার পর তরুণ মণ্ডল নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন।
এখন তরুণ মণ্ডল সস্ত্রীক হাওড়ার বাসিন্দা। দক্ষিণ হাওড়া বিধানসভা ২৭৯ নম্বর বুথে তাঁর নাম ছিল। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল স্বামী-স্ত্রী দু'জনেই বিচারাধীন। শুনানিতে ডাকার পর তরুণ মণ্ডল নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন। তারপর দেখা যায় প্রাক্তন সাংসদের নাম বিবেচনাধীন তালিকায়! শুক্রবার দ্বিতীয় দফার তালিকা প্রকাশিত হয়। দেখা যায়, তাঁর নাম তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে।
এদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে দেখা করেছেন তরুণ মণ্ডল। তিনি বলেন, "সরকারি চাকরি করতাম। পেনশন পাই। সাংসদ ছিলাম। এক ডজন নথি দিয়েছি।" যা করার ট্রাইবুনাল করবে, তেমনই কমিশন থেকে জানানো হয়েছে বলে খবর! এই বিষয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও লোকসভার বর্তমান অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে তিনি চিঠি পাঠাবেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি সাংসদ ছিলেন। তাঁর এমন হলে সাধারণ মানুষদের কী হবে! সেই কথাও জানিয়েছেন তরুণ মণ্ডল।
