নেতা-মন্ত্রীদের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স কত, তা নিয়ে আমজনতার আগ্রহের শেষ নেই। কিন্তু চাইলেই তো আর প্রভাবশালীদের অ্যাকাউন্টে নজরদারি চালানো সম্ভব নয়। এই সুযোগ মেলে শুধুমাত্র ভোটের মরশুমেই। প্রার্থীদের মনোনয়নের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় থাকে যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য। সেখানেই থাকে আয়-ব্যয়ের হিসেব। ছাব্বিশেও ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়ক তথা আইএসএফের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য নওশাদ সিদ্দিকি। জানেন হলফনামা অনুযায়ী তাঁর হাতে এই মুহূর্তে নগদ রয়েছে কত? মোট সম্পত্তির পরিমাণই বা কত?
-
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ৬ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা
-
এসবিআই-এর ঘটকপুকুর ব্রাঞ্চের একটি অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১০ হাজার ১০০ টাকা
-
আরবিএল, ডানকুনি শাখায় রয়েছে ৫ হাজার ৮২১ টাকা
-
এসবিআই, কলকাতা হাই কোর্ট ব্রাঞ্চে রয়েছে ৪৫ হাজার ৩০৮ টাকা
-
কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কে রয়েছে ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৯৮৭ টাকা
-
পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ফুরফুরা শরিফ শাখায় রয়েছে ৬ হাজার ২৯৬ টাকা।
-
অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের হরিপাল শাখায় রয়েছে ১১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা
হলফনামা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তাঁর আয় ৬ লক্ষ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা। গত অর্থবর্ষে যা ছিল ৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৮০ টাকা। অর্থাৎ এই বছরে তাঁর আয় বেড়েছে। মনোনয়ন পেশের সময় নওশাদের কাছে নগদ ছিল ৫০ হাজার ৬০০ টাকা। মোট ৬ টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাঁর। এসবিআই-এর ঘটকপুকুর ব্রাঞ্চের একটি অ্যাকাউন্টে রয়েছে ১০ হাজার ১০০ টাকা। আরবিএল, ডানকুনি শাখায় রয়েছে ৫ হাজার ৮২১ টাকা। এসবিআই, কলকাতা হাই কোর্ট ব্রাঞ্চে রয়েছে ৪৫ হাজার ৩০৮ টাকা। একটি কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কে রয়েছে ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৯৮৭ টাকা। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ফুরফুরা শরিফ শাখায় রয়েছে ৬ হাজার ২৯৬ টাকা। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্কের হরিপাল শাখায় রয়েছে ১১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।
ভাঙড়ের আইএসপ্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকির সম্পত্তির হিসেব।
এছাড়া অন্যত্র কোনও বিনিয়োগ নেই নওশাদের। নেই ঋণও। নওশাদের একটি স্করপিও গাড়ি রয়েছে। যার মূল্য ১৭ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। সোনাও নেই ভাঙড়ের বিদায়ী বিধায়কের। তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৭২। তবে তাঁর কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই। উল্লেখ্য, নওশাদের বিরুদ্ধে মোট ১৬ টি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে দাঙ্গায় উসকানির ধারাও।
