বঙ্গের ভোটপ্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রথম জনসভার দিনই বিজেপির অন্দরের চোরা দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। রবিবার কোচবিহারের (Cooch Behar) রাসমেলা ময়দানে মোদির প্রচার সভায় রাজ্য বিজেপির তাবড় নেতারা হাজির থাকলেও দেখা যায়নি শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষকে। বিশেষত শুভেন্দুর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিস্তর। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের সভার আমন্ত্রণই নাকি পাননি শুভেন্দু। আর তার নেপথ্যে দায়ী দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী! যদিও শুভেন্দু এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। তিনি দিনভর নন্দীগ্রামে প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। প্রতিক্রিয়া মেলেনি দিলীপ ঘোষেরও।
এর কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দুর কাছে নাকি মোদির সভার আমন্ত্রণপত্রই পৌঁছয়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর উপর এই ভার থাকে। অভিযোগ, তিনি নাকি সময়মতো তা পৌঁছে দিতে পারেননি।
কোনও রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে গেলে সেখানে দলের রাজ্যস্তরের দায়িত্বে যাঁরা থাকেন, তাঁদের উপস্থিত থাকাটা রীতি। এমনকী প্রধানমন্ত্রীর সেই কর্মসূচির বিজ্ঞাপনেও তাঁদের ছবি থাকে। এ রাজ্যে এই মুহূর্তে বিজেপি মুখ বলতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ফলে মোদির সভায় তাঁদের উপস্থিতি কাম্য। অথচ কোচবিহারে, উত্তরের দুই জেলার বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রচার সভায় শমীক থাকলেও দেখা যায়নি শুভেন্দুকে। কেন নেই তিনি? এর কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দুর কাছে নাকি মোদির সভার আমন্ত্রণপত্রই পৌঁছয়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তীর উপর এই ভার থাকে। অভিযোগ, তিনি নাকি সময়মতো তা পৌঁছে দিতে পারেননি।
কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ঘনিষ্ঠ মহলেও কোনও মন্তব্য করেননি শুভেন্দু অধিকারী বা দিলীপ ঘোষ। তবে বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে। মোদি-শাহর ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত শুভেন্দু অধিকারী। প্রায়শয়ই তিনি দিল্লি গিয়ে বাংলার সংগঠন নিয়ে আলোচনা করেন। এমনকী ভোটের সময়ও বাংলায় পদ্মশিবিরের সারথী হিসেবে শুভেন্দুকে অধিক ভরসা করে দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু রবিবার কোচবিহারে মোদির প্রচার সভায় তাঁর অনুপস্থিতি নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল, ভোটের মুখে কি গেরুয়া ব্রিগেডে নতুন করে চিড় ধরল? যদিও দলের আরেক সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারী বা দিলীপ ঘোষ সকলেরই নিজ নিজ কেন্দ্র প্রচার কর্মসূচি ছিল।
