ছাব্বিশের নির্বাচনী পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দলেই লুকিয়ে থাকা 'বিশ্বাসঘাতক'দের জোরাল বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রায়নার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিরোধীদেরও আক্রমণ শানান তিনি।
অভিষেক বলেন, "দল সবার উপর নজর রাখে। কয়েকটা জায়গায়, রাতের অন্ধকারে বিজেপির থেকে টাকা নিয়ে দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। ৪ তারিখ দেখা হবে। পঞ্চাশ হাজারের বেশি ভোটে জেতাতে হবে তৃণমূলকে।"
এদিন অভিষেক বলেন, "দল সবার উপর নজর রাখে। কয়েকটা জায়গায়, রাতের অন্ধকারে বিজেপির থেকে টাকা নিয়ে দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। ৪ তারিখ দেখা হবে। পঞ্চাশ হাজারের বেশি ভোটে জেতাতে হবে তৃণমূলকে।" এর আগে নওদায় অভিষেকের সভার আগে প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষে ধাক্কাধাক্কি, হাতাহাতি, চেয়ার ভাঙচুরের মতো অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়। সেদিনও তিনি মঞ্চ থেকে কর্মীদের জোরাল বার্তা দিয়েছেন। ব্যক্তিগত ইচ্ছা, মতামত বাদ দিয়ে সকলকে যে দলের মতো করে চলতে হবে, সেকথাই যেন জানিয়েছিলেন তিনি। এদিনও আরও একবার দলীয় নেতা-কর্মীদের পাঠ শেখালেন তিনি।
এবার রায়নার প্রার্থী মন্দিরা দলুই। তিনি ভূমিকন্যা। তাই তাঁর জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী অভিষেক। তিনি বলেন, "মন্দিরা দলুই মাটির মেয়ে। তিনি দু'বার নির্বাচিত জেলা পরিষদ মেম্বার। জনসেবার ক্ষেত্রে তিনি প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবেন। জনকল্যাণমূলক কাজ মানুষের কাছে পৌছে দিয়েছেন।" বিরোধীদের খোঁচা দিয়ে অভিষেক আরও বলেন, "এখন সিপিএম-এর সন্ত্রাস অতীত। ২০০৯ সালে মাধবডিহিতে সন্ত্রাস চালিয়েছিল। সেখানকার মা-বোনেরা সিপিআইএমকে তাড়িয়েছে।" এরপর সরাসরি বিজেপি প্রার্থীকেও তোপ দাগেন অভিষেক। তাঁর কথায়, "প্রার্থীকে কেউ চেনে না। তিনি এমন দলের প্রতিনিধি যে দল বাংলার জনবিরোধী।" বিজেপি একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও তোপ দাগেন তিনি।
অভিষেকের কথায়, "এখানে অনেক কৃষক ভাইয়েরা রয়েছে। এই বিধানসভা কৃষিপ্রধান এলাকা। গোবিন্দভোগ চালের রপ্তানি বন্ধ করেছে কেন্দ্র। কেরল ছাড়া আর কোথাও বাজার নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা ছিল। কিন্তু সেখানে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।" ভোটের পর রায়নার আরও উন্নয়ন হবে বলেই আশ্বাস অভিষেকের।
