ভোটের আগেই ডিগবাজি বাবরির নামে ভোট চাওয়া হুমায়ুন কবীরের। দল ঘোষণার পর হুমায়ুন জানিয়েছিলেন, নিজের এলাকা রেজিনগর ও বেলডাঙা, অর্থাৎ বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দুটি আসনে লড়বেন। ভরতপুর অর্থাৎ তাঁর নিজের আসনে লড়াই করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা ছিল। কিন্তু বুধবার দুপুরে দেখা গেল, খানিকটা হলেও পিছু হটেছেন ভরতপুরের বিদায়ী বিধায়ক। রেজিনগরে লড়লেও বেলডাঙা থেকে প্রার্থী হচ্ছেন না তিনি। পরিবর্তে নওদা আসনেও লড়বেন তিনি।
বিধানসভা ভোটের আগে শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের আলাদা রাজনৈতিক দল খুলেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভোটে দাগ কাটতে হলে যে নিজের এককশক্তিতে তা সম্ভব নয়, তাও দ্রুতই বুঝে গিয়েছেন। আর তাই তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধীদের জোটে টানতে মরিয়া ভরতপুরের বিধায়ক।
বিধানসভা ভোটের আগে শাসকদল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নিজের আলাদা রাজনৈতিক দল খুলেছেন বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। ভোটে দাগ কাটতে হলে যে নিজের এককশক্তিতে তা সম্ভব নয়, তাও দ্রুতই বুঝে গিয়েছেন। আর তাই তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধীদের জোটে টানতে মরিয়া ভরতপুরের বিধায়ক। নিজের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তরফে দু’দফায় প্রার্থী ঘোষণার পরও হুমায়ুন কবীর সিপিএম, আইএসএফের মতামতের জন্য আরও খানিকটা সময় নিচ্ছিলেন। ১০ মার্চ পর্যন্ত জোটের সময়সীমা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তা ১৫ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু জোট জট অব্যাহত। এসবের মাঝে বুধবার ফের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেন হুমায়ুন।
উল্লেখ্য, প্রথম দফায় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির ন’জন প্রার্থীর ঘোষণা করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফায় মালদহ জেলার চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। বুধবারও বেশ কিছু প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন তিনি। জানিয়েছেন কোন দুটি আসনে লড়বেন তিনি। তবে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করবেন ২২ তারিখ।
