বঙ্গভোটের (West Bengal Assembly Election) ময়দানে এবারও 'হাইভোল্টেজ' কেন্দ্র নন্দীগ্রাম (Nandigram)! এবারও এই কেন্দ্রের মানুষ দুই শুভেন্দু অধিকারীর লড়াইয়ের সাক্ষী থাকবেন। অবাক হচ্ছেন! হ্যাঁ, অবাক হওয়ার মতোই কাণ্ড। দুই শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে একজন বিজেপির প্রার্থী। অপরজন নির্দল প্রার্থী। প্রথমজন কাঁথির শিশির অধিকারীর মেজো পুত্র বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অপরজন হলেন কলকাতার গড়ফা থানার ৩৬,কালীতলা লেনের বাসিন্দা ঈশ্বর দুলাল চন্দ্র অধিকারীর ছেলে শুভেন্দু অধিকারী। তবে দ্বিতীয়জন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনীতিতে একেবারেই অপরিচিত মুখ।
প্রথমজন কাঁথির শিশির অধিকারীর মেজো পুত্র বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। অপরজন হলেন কলকাতার গড়ফা থানার ৩৬,কালীতলা লেনের বাসিন্দা ঈশ্বর দুলাল চন্দ্র অধিকারীর ছেলে শুভেন্দু অধিকারী।
জমি রক্ষা আন্দোলনের পীঠস্থান নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র এমনিতেই হটস্পট। তার উপর এবার শুভেন্দু অধিকারীর একদা ঘনিষ্ঠ নেতা পবিত্র করকেই এই বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে শাসকদল তৃণমূল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রবিত্র করকে তৃণমূলে এক ঘন্টা আগে জয়েন করিয়ে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করে রাজ্য তৃণমূল। অর্থাৎ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও (West Bengal Assembly Election) পাখির চোখ যে নন্দীগ্রাম (Nandigram) সেটা ফের প্রমাণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ফলে এবারও নন্দীগ্রামে লড়াই একেবারে হাড্ডাহাড্ডি! এর মধ্যেই নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে আরও এক শুভেন্দুর উত্থান বিজেপির উদ্বেগের কারণ হবে! রাজনৈতিকমহলের মতে, বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ড্যামি হিসেবে কলকাতার বাসিন্দা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করে বিজেপির ভোটে থাবা বসাতে চাইছে শাসক দল। যদিও বিষয়টি গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।
নন্দীগ্রামের নির্দল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপির এক নেতার দাবি, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভোট যাতে ভাগ হয়, তারজন্যে তৃণমূল কলকাতা থেকে একজন শুভেন্দু অধিকারী নামের মানুষকে ড্যামি হিসেবে দাঁড় করাতে চাইছে। এর থেকে প্রমাণ হয় তৃণমূল নেতারা শুভেন্দু অধিকারীকে কতটা ভয় পেয়েছে। তবে নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে বিরোধী দলনেতার জনপ্রিয়তার কাছে তৃণমূল-সহ অন্য কেউ ধারে কাছে আসতে পারবে না। তা বুঝেই শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ড্যামি প্রার্থী দিয়ে তৃণমূল শেষ চেষ্টা করতে চাইছে বলে দাবি ওই বিজেপি নেতার। অন্যদিকে তমলুক জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজিত কুমার রায় বলেন, ভারতবর্ষের সংবিধানে যে কোন ব্যক্তি যে কোন জায়গায় প্রার্থী হতে পারেন। নন্দীগ্রামের ভূমিপুত্র পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। কে নির্দল দাঁড়িয়েছে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। নন্দীগ্রামে ভূমিপুত্র জয়ী হবে এটাই শেষ কথা।
