কোচবিহার দিয়ে বাংলায় ভোট (Bengal Election 2026) প্রচার শুরু করেছিলেন। এবার রাজ্যে টানা প্রচারে নামছেন প্রধানমন্ত্রী। এমনকী, একই দিনে তিনটি করে সভাও করবেন তিনি। আগামী ৯ এপ্রিল তিনটি সভা করবেন। ৯ তারিখ আসানসোল, হলদিয়া ও সিউড়িতে জনসভা রয়েছে মোদির।
এরপর টানা দু’দিন ভোট (Bengal Election 2026) প্রচার করবেন রাজ্যে। ১১ এপ্রিল জঙ্গিপুর, কাটোয়া ও বালুরঘাটে সভা করবেন তিনি। ওইদিন রাতেই শিলিগুড়ি পৌঁছবেন মোদি (PM Modi)। ১১ তারিখ রাতে তাঁর শিলিগুড়িতে থাকার কথা। পরদিন ১২ এপ্রিল শিলিগুড়িতে একটি রোড শো করবেন। অর্থাৎ টানা দু’দিন নির্বাচনী প্রচারে বাংলাতেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী।
নন্দীগ্রামের দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সমর্থনেই হলদিয়ার জনসভা মূলত করবেন মোদি। উল্লেখ্য, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কমপক্ষে ১৪টি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। প্রায় ততোধিক সভা করার কথা রয়েছে অমিত শাহর। এদিকে, সূত্রের খবর, আর একটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার বাকি রয়েছে বিজেপির। সেটা হয়ে গেলেই এবং ৯ এপ্রিল মনোনয়ন জমা শেষ হয়ে গেলেই দলের ইস্তেহার বা সংকল্প পত্র প্রকাশ করবে বঙ্গ বিজেপি। সেই কর্মসূচিতে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন থাকার কথা রয়েছে।
নন্দীগ্রামের দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনেই হলদিয়ার জনসভা মূলত করবেন মোদি। উল্লেখ্য, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে কমপক্ষে ১৪টি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। প্রায় ততোধিক সভা করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।
উল্লেখ্য, গত রবিবার বিকেলে কোচবিহারের জনসভা থেকে আগাগোড়া আক্রমণাত্মক ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি বরাবরই বাংলায় ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির চেষ্টা চালিয়েছে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এমনই অভিযোগ তুলেছে বারবার। সেই দাবিই যেন মোদির রবিবাসরীয় বক্তব্যে অর্থাৎ ‘বিভাজনের রাজনীতি’র কথায় আরও স্পষ্ট হয়েছে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। মদন মোহন মন্দিরের মাটি থেকে অনুপ্রবেশ ও জনবিন্যাস নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তিনি। ইস্তেহার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। এবার টানা রাজ্য সফরেও মোদির প্রচার একই পথ অনুসরণ করে চলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
