মঙ্গল থেকেই রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গে খারাপ আবহাওয়ার কারণে প্রাথমিকভাবে তাঁর প্রচার কর্মসূচি একদিন পিছিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সদ্য প্রকাশিত সূচি থেকে জানা যাচ্ছে, ২৪ মার্চ, মঙ্গলবার থেকেই তিনি উত্তরবঙ্গে প্রচার শুরু করছেন। ওইদিন জলপাইগুড়ি পৌঁছে চালসার জ্যোতি আশ্রম ক্যাথলিক চার্চের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার চালসায় রাত্রিবাসের পর বুধবার তিনটি জনসভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে বুধবার প্রথম জনসভা। এরপর শিলিগুড়ির দুই কেন্দ্র - ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ও মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারবেন।
প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের এই তিন কেন্দ্রে প্রচার সেরে তৃণমূল সুপ্রিমো শুরু করবেন দক্ষিণবঙ্গে ভোটপ্রচার। সূচি অনুযায়ী, ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে আকাশপথে সোজা অন্ডালে এসে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে প্রথম জনসভা করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইদিনে জনসভা রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমের দুবরাজপুরে।
প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের এই তিন কেন্দ্রে প্রচার সেরে তৃণমূল সুপ্রিমো শুরু করবেন দক্ষিণবঙ্গে ভোটপ্রচার। সূচি অনুযায়ী, ২৬ মার্চ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে আকাশপথে সোজা অন্ডালে এসে পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরে প্রথম জনসভা করতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইদিনে জনসভা রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমের দুবরাজপুরে। পরদিন, ২৭ মার্চ বাঁকুড়া জেলায় ভোটপ্রচার করার কথা তৃণমূল নেত্রীর। ওইদিন ছাতনা ও ওন্দা বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে হবে তাঁর জনসভা। ২৮ মার্চ, শনিবার পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ও কাশীপুর কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে জনসভা করার কথা তৃণমূল সুপ্রিমোর। পরেরদিন, ২৯ মার্চও পুরুলিয়ার মানবাজার ও বাঁকুড়ার রায়পুরে প্রচার সারবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আগামী সপ্তাহ অর্থাৎ ৩০ মার্চ থেকে দুই মেদিনীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোর প্রচার কর্মসূচি রয়েছে। সূচি অনুযায়ী, ৩০ মার্চ, সোমবার পাঁশকুড়া পশ্চিম, ডেবরা ও নারায়ণগড়ে জনসভা। পরেরদিন, ৩১ মার্চ প্রচার সারবেন পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা, গড়বেতা ও বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে। আপাতত তৃণমূল নেত্রীর এই প্রচারসূচি ঠিক হয়েছে। পরের মাসেই ভোট। ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দু'দফায় ভোটগ্রহণ পর্ব। ফলে ১ এপ্রিল থেকে প্রচারের ঝাঁজ আরও বাড়বে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে সেই সূচি এখনও জানা যায়নি দলের তরফে।
