ছাব্বিশের ভোটে ময়দানি যুদ্ধের পাশাপাশি বহু আগে থেকেই সোশাল মিডিয়াতেও লড়াই শুরু হয়েছে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের মধ্যে। আর শেষবেলায় সোশাল মিডিয়া রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে একটি গান - 'শওকত মাছচোর'। ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লাকে কটাক্ষ করে তৈরি গানটি ব্যাপক ভাইরাল। হু হু করে ছড়িয়ে পড়ছে এর-ওর টাইমলাইনে। গানটি নাকি শওকতের প্রতিপক্ষ আইএসএফেরই তৈরি। তাদের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে গানটি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? ভোটের ফলাফলের ঠিক আগে এনিয়ে মুখ খুললেন আইএসএফের খোদ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি।
গানটি নিয়ে নওশাদের স্পষ্ট দাবি, তিনি বিরোধীদের এমন কিছু বলে আক্রমণ করেন না, যা অত্যন্ত নিম্নরুচির। কিন্তু শওকত কি সত্যিই মাছচোর? এই প্রশ্নের জবাবে আইএসএফ প্রার্থী বলেন, ‘‘মাছচোর কেন? ও তো একজন খুনি, বোমাবাজ, ডাকাত। মাছচোর বললে খুব কম বলা হয়। ভাঙড়, ক্যানিংয়ের প্রতিটি মানুষ জানেন, শওকত মোল্লা ঠিক কী? ওকে সবাই গুন্ডা বলেই চেনে। বোমাবাজি, অশান্তির জন্য বিখ্যাত শওকত মোল্লা। মাছচোর কেন হবে?''
মিনিট কয়েকের 'মাছচোর' গানটি এখন সকলের মুখে মুখে ঘুরছে। গানের কথায় আগাগোড়া শওকত মোল্লার চরিত্র কাটাছেঁড়া করা হয়েছে, তবে গানের সুর বেশ প্রশংসা পেয়েছে। চরিত্রহননের অভিযোগে গানের বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন শওকত মোল্লা। এই পরিপ্রেক্ষিতে গানের স্রষ্টা কে, তা নিয়েও বিস্তর চর্চা চলছে। যেহেতু গানটি আইএসএফের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, তাই দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তথা ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকিকে এনিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এর জবাবে হেসে নওশাদ জানালেন, তাঁর ফেসবুকে ফিডে গানটি বারবার আসছে। সুদূর কানাডাতেও গানটি হইহই করে চলছে, সবাই মজা পাচ্ছেন। কিন্তু এর সঙ্গে আইএসএফ বা তাঁর অফিশিয়ালি কোনও সম্পর্ক নেই।
গানটি নিয়ে নওশাদের স্পষ্ট দাবি, তিনি বিরোধীদের এমন কিছু বলে আক্রমণ করেন না, যা অত্যন্ত নিম্নরুচির। কিন্তু শওকত কি সত্যিই মাছচোর? এই প্রশ্নের জবাবে আইএসএফ প্রার্থী বলেন, ‘‘মাছচোর কেন? ও তো একজন খুনি, বোমাবাজ, ডাকাত। মাছচোর বললে খুব কম বলা হয়। ভাঙড়, ক্যানিংয়ের প্রতিটি মানুষ জানেন, শওকত মোল্লা ঠিক কী? ওকে সবাই গুন্ডা বলেই চেনে। বোমাবাজি, অশান্তির জন্য বিখ্যাত শওকত মোল্লা। মাছচোর কেন হবে?'' ফলপ্রকাশের আগে নিজের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নওশাদ। ভাঙড় থেকে ৫০ হাজার ভোটে জিতবেন বলে দাবি বিদায়ী বিধায়কের।
