ভোটের আগে বাংলার রাজধানী কলকাতায় বিরাট জনসভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Brigade Rally)। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের মতো ঐতিহাসিক স্থানে প্রচার। ভাষণের ছত্রে ছত্রে ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল সরকারের 'মৃত্যুঘণ্টা' বাজিয়ে দিয়েছেন মোদি। তবে দিল্লির বিজেপি নেতাদের সেই পুরনো 'ত্রুটি' আর গেল না। ফের বঙ্গ মনীষীদের নামের উচ্চারণে বিভ্রাট! রানি রাসমণির কথা বলতে গিয়ে মোদির মুখে উচ্চারিত হল 'রসমণি'। তা নিয়ে শাসকদল তৃণমূল সোশাল মিডিয়া পোস্ট করে পালটা প্রশ্ন তুলল, 'প্রচারমন্ত্রী' নরেন্দ্র মোদী প্রতিবার এসে ইচ্ছে করেই কি বাংলার মনীষীদের অপমান করেন?
রানি রাসমণির কথা বলতে গিয়ে মোদির মুখে উচ্চারিত হল 'রসমণি'। এক্স হ্যান্ডল পোস্টে মোদির সেই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করে তাদের বক্তব্য, 'পরমপূজ্য লোকমাতা রানি রাসমণিকে কোন সাহসে 'রসমণি' বললেন নরেন্দ্র মোদী? বাংলার মানুষের ভাবাবেগকে বারবার আক্রমণ করে বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি!'
বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপির শেষ ভরসা দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর ব্রিগেড ময়দান এ রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের ক্ষেত্রে যে কত গুরুত্বপূর্ণ, তা সামান্য রাজনৈতিক সচেতন মানুষই জানেন। সেই মাঠে শনিবারের বারবেলায় প্রায় ঘণ্টা খানেকের জনসভায় বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তা গোটাটাই কার্যত অন্তঃসারশূন্য। না রয়েছে ভোটযুদ্ধের দিশা, না দলীয় কর্মীদের জন্য কোনও ভোকাল টনিক। যেসব ইস্যু ভোটের 'খেলা' ঘুরিয়ে দিতে পারে, সেসব নিয়ে কী-ই বা এমন বার্তা দিলেন? এনিয়ে সমালোচনা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে এসব ছাপিয়ে ফের যে বিষয়টা নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষের মুখে পড়তে হল, তা সেই পুরনো দোষ! বাংলার মনীষীদের নামবিভ্রাট। এবার মোদির মুখে শোনা গেল 'রানি রসমণি'।
আর তা নিয়েই মুহূর্তের মধ্যে আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডল পোস্টে মোদির সেই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করে তাদের বক্তব্য, 'পরমপূজ্য লোকমাতা রানি রাসমণিকে কোন সাহসে 'রসমণি' বললেন নরেন্দ্র মোদী? বাংলার মানুষের ভাবাবেগকে বারবার আক্রমণ করে বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। বিনাশকালে বিপরীত বুদ্ধি!'
প্রধানমন্ত্রী অথবা বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মুখে বাংলার মনীষীদের নামবিভ্রাট নতুন নয়। কোনও মন্ত্রীর কথায় বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হয়ে গিয়েছেন 'মাতাগিনি হাজরা', কারও মুখে কখনও 'রবীন্দ্রনাথ স্যান্যাল', কখনও 'বঙ্কিমদা'। এসব শুনে এখন খানিকটা অভ্যস্ত বঙ্গবাসী। কিন্তু ব্রিগেডের মতো জনসভায়, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে মঞ্চ সাজিয়ে সেখানে দাঁড়িয়েই খোদ প্রধানমন্ত্রী বললেন রানি রসমণি!
প্রধানমন্ত্রী অথবা বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মুখে বাংলার মনীষীদের নামবিভ্রাট নতুন নয়। কোনও মন্ত্রীর কথায় বীরাঙ্গনা মাতঙ্গিনী হয়ে গিয়েছেন 'মাতাগিনি হাজরা', কারও মুখে কখনও 'রবীন্দ্রনাথ স্যান্যাল', কখনও 'বঙ্কিমদা'। এসব শুনে এখন খানিকটা অভ্যস্ত বঙ্গবাসী। কিন্তু ব্রিগেডের মতো জনসভায়, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে মঞ্চ সাজিয়ে সেখানে দাঁড়িয়েই খোদ প্রধানমন্ত্রী বললেন রানি রসমণি! এটা বোধহয় বঙ্গ বিজেপির নেতাদের কাছেও বড়সড় ধাক্কা।
