অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট (West Bengal Assembly Election) নিশ্চিত করতে এবার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ এগিয়ে কুখ্যাত ও দাগী দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরি করছে লালবাজার। ভোটের সময় অশান্তি পাকাতে পারে এমন কুখ্যাত এবং দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করতে প্রত্যেক থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো ১০টি করে নামও পাঠাতে হবে। ভোটের আগে ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের তালিকা তৈরি করে পুলিশ। ভোটের আগে বা ভোটের সময় যারা গোলমাল করতে পারে, প্রত্যেকটি থানার পক্ষে সেই তালিকা পাঠানো হয় লালবাজারে। ক্রমে নির্বাচন কমিশনেও পৌঁছয় সেই তালিকা। সেই তালিকার ভিত্তিতে প্রত্যেকটি এলাকায় হয় নজরদারি। চলে ধরপাকড়ও। ইতিমধ্যে থানাগুলি ও গোয়েন্দা বিভাগের পক্ষ থেকে ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের তালিকা তৈরি করেছে লালবাজার। এবার ওই তালিকার মধ্যে থেকেই ‘মোস্ট নটোরিয়াস’দের নাম বেছে নেওয়ার নির্দেশ দিল লালবাজার।
শহরের প্রত্যেক থানাকে লালবাজারের নির্দেশ, থানা এলাকায় যে কতজন ‘ট্রাবল মঙ্গার’ বা দাগী দুষ্কৃতী রয়েছে, তাদের মধ্যে থেকেই দশজন ‘ত্রাস’-এর নাম বেছে নিতে হবে। সেই দশজনের নাম সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডিসির মাধ্যমে পাঠাতে হবে লালবাজারে। লালবাজারের পক্ষ থেকে সেই তালিকা পাঠানো হবে নির্বাচন কমিশনকে। লালবাজারের সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতার ত্রাস সোনা পাপ্পুর নাম ‘ট্রাবল মঙ্গার’-এর তালিকায় যুক্ত না করার কারণে কসবা থানার ওসিকে সাসপেন্ড করেছে নির্বাচন কমিশন।
প্রত্যেক থানাকে লালবাজারের নির্দেশ, থানা এলাকায় যে কতজন ‘ট্রাবল মঙ্গার’ বা দাগী দুষ্কৃতী রয়েছে, তাদের মধ্যে থেকেই দশজন ‘ত্রাস’-এর নাম বেছে নিতে হবে। সেই দশজনের নাম সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডিসির মাধ্যমে পাঠাতে হবে লালবাজারে। লালবাজারের পক্ষ থেকে সেই তালিকা পাঠানো হবে নির্বাচন কমিশনকে।
এর পরই প্রত্যেক এলাকায় ভোটের সময় কিংবা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে যারা বেশি গোলমাল করতে পারে, তাদের উপরই বেশি নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে পুলিশকে। সেই কারণেই এবার শুধু ‘ট্রাবল মঙ্গার’-ই নয়, ‘মোস্ট নটোরিয়াস ট্রাবল মঙ্গার’-এর তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে লালবাজার। একই সঙ্গে ওই দশজন করে ‘ত্রাস’ নিজেদের এলাকায় রয়েছে কি না, তাদের কার্যকলাপের উপরও বিশেষ নজর রাখার নির্দেশ দিচ্ছে লালবাজার। ভোটের সময় যাতে কোনওভাবেই তারা গোলমাল করতে না পারে, তার জন্য তাদের উপর বিশেষ নজর থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
