''কীসের বাংলার জনাদেশ? ভোট লুট করেই আমাদের হারানো হয়েছে।'' বিস্ফোরক দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোমেই স্পষ্ট হয়েছে বাংলার ভবিষ্যৎ। ফলাফলের ভিত্তিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু এই ফল মানতে নারাজ ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর স্পষ্ট দাবি, ইভিএম বদলে দেওয়া হয়েছে। কাউন্টিং সেন্টারে অত্যাচারের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আনার দাবিও করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় এদিন তিনি বলেন, ''আমরা হারিনি, আমাদের ভোট লুট করে হারানো হয়েছে। একশো জন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, ইভিএমে যদি কারচুপি নাও করা যায়, ইভিএম বদলে তো দেওয়া যায়। সেটাই হয়েছে। যে ইভিএমে ভোট হয়েছে, ১৭সি ফর্ম মেলাতে দেখা গিয়েছে তার সঙ্গে টেবিলে যে ইভিএম মেশিন দেওয়া হয়েছে, তার সিরিয়াল নম্বর মিলছে না। কল্যাণী, মেমারি থেকে অন্তত ১০টা করে ইভিএমের এরকম রিপোর্ট এসেছে। একশোটা বিধানসভায় এরকম হয়েছে। দুপুর ২টো থেকে সব এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এগুলো আমরা যদি আদালতে জমা দিই?''
তাঁর কথায়, ''ওই সময়ের মধ্যে বেশিরভাগ ফল সামনে আসে। কিন্তু দেখা যায় ১৫-১৮টা করে রাউন্ডে কাউন্টিং বাকি। ৩-৪টে রাউন্ড গণনা করে মিডিয়ায় দেখানো হয়েছে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। আদালত বলেছিল, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মীদেরও রাখতে হবে। রাখা হয়নি। পূর্ব মেদিনীপুরে তো সব কেন্দ্র সরকারি কর্মী ছিল। এইভাবে লুট হয়েছে!''
তাঁর প্রশ্ন, ''তৃণমূল আর বিজেপির ভোটের ব্যবধান কত? ৩২ লক্ষ। ৩০ লক্ষ ভোটারদের প্রথমেই বাদ দেওয়া হল। ৭ লক্ষ নতুন ভোটার যোগ করলেন। ১০-১৫ লক্ষ কাউন্টিংয়ে কারচুপি করা হয়েছে। কীসের বাংলার জনাদেশ? কাউন্টিং সেন্টারে অত্যাচারের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আনুক। যদি এটা জনাদেশ হয় তাহলে সেটা সবার সামনে প্রকাশ করুক কমিশন। বিশেষ করে ১২টার পর থেকে কী হয়েছে তার সিসিটিভি ফুটেজ রিলিজ করুক।''
