shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

'ব্ল‍্যাকবোর্ডে স্টিকার সাঁটাবেন না', ভোটের মাঝে শিক্ষার পরিবেশ বাঁচাতে কমিশনকে আর্জি খুদেদের

পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের খটকাডি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের আবেদনের সেই আর্জির ছবি ভাইরাল।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:20 PM Apr 22, 2026Updated: 01:30 PM Apr 22, 2026

নির্বাচনী পর্বের একটা বড় অংশ হয়ে ওঠে বিদ্যালয়গুলি এবং ক্লাসরুম। ভোটকেন্দ্র থেকে শুরু করে নিরাপত্তারক্ষীদের থাকার ব্যবস্থা, ক্লাসরুম আদর্শ। কিন্তু ভোট (West Bengal Assembly Election) মিটতেই দেখা যায়, পড়াশোনার সেই পবিত্র পরিসরের ছবিটা বদলে গিয়েছে। ব্ল‍্যাকবোর্ডে সাঁটা স্টিকার, মেঝেজুড়ে আবর্জনা, এলোমেলো বেঞ্চ-টেবিল। তা যাতে না হয়, পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের একটি স্কুলের কচিকাঁচারা হাতজোড় করে আবেদন জানিয়েছে, 'দয়া করে আমাদের ক্লাসরুমের ব্ল‍্যাকবোর্ডে স্টিকার লাগাবেন না, নোংরা করবেন না।' শিশুদের এই মরমী আবেদনে নির্বাচন কমিশন কতটা সাড়া দেবে, সেটাই দেখার।

Advertisement

পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের খটকাডি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিক্ষক জনার্দন মাহাতো। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কচিকাঁচারা হাতজোড় করে রয়েছে ক্লাসরুমে। তাদের পিছনে রাখা ব্ল্যাকবোর্ডে লেখা - 'দয়া করে ব্ল্যাকবোর্ডে স্টিকার লাগাবেন না।' শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, ভোটের পর বেশিরভাগ স্কুলের ব্ল‍্যাকবোর্ড নষ্ট হয়। মেরামতে খরচ হয় প্রায় হাজার টাকা।

আগামিকাল, বৃহস্পতিবার প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। আজ থেকেই বুথে বুথে পৌঁছবেন ভোটকর্মী, নিরাপত্তারক্ষীরা। রাজ্যের সর্বত্রই ভোটগ্রহণ হয় মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে। ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগের রাতটা ভোটকর্মীরা কাটান সংশ্লিষ্ট বুথেই। ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিবার দেখা যায় ক্লাসরুম অগোছালো, আবর্জনায় ভর্তি। শুধু তাই নয়, ব্ল‍্যাকবোর্ডগুলিতে সাঁটানো থাকে নির্বাচন কমিশনের নানা স্টিকার। সেই সব স্টিকার তোলা যায় না। তুললেও ব্ল‍্যাকবোর্ড নষ্ট হয়।

পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি ব্লকের খটকাডি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়াদের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন শিক্ষক জনার্দন মাহাতো। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কচিকাঁচারা হাতজোড় করে রয়েছে ক্লাসরুমে। তাদের পিছনে রাখা ব্ল্যাকবোর্ডে লেখা - 'দয়া করে ব্ল্যাকবোর্ডে স্টিকার লাগাবেন না।' শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, ভোটের পর বেশিরভাগ স্কুলের ব্ল‍্যাকবোর্ড নষ্ট হয়। মেরামতে খরচ হয় প্রায় হাজার টাকা। অথচ সারা বছরে একটি প্রাথমিক স্কুলের কম্পোজিট গ্রান্ট মাত্র ৬২৫০ টাকা। ওই টাকা ইলেকট্রিক বিল দিতেই সিংহভাগ খরচ হয়। এছাড়া প্রশ্নপত্র ছাপানো-সহ নানা খরচ রয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষকই নিজের পকেট থেকে ব্ল‍্যাকবোর্ড মেরামত করেন।

শিক্ষক জনার্দন মাহাতো বলেন, "আমি নিজেও একজন ভোটকর্মী। এর আগেও ভোটে ডিউটি করেছি। কিন্তু কোনওবার ব্ল‍্যাকবোর্ডে স্টিকার লাগাই না। সকল ভোটকর্মীদের কাছে আবেদন করব, শিক্ষার স্বার্থে, পড়য়াদের স্বার্থে ব্ল‍্যাকবোর্ড অক্ষত রাখুন।" ভোটপর্ব শেষে কি এবার চিত্রটা বদলাবে? কচিকাঁচাদের আবেদনে সাড়া দেবেন ভোটকর্মীরা? সেটাই এখন দেখার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement