রাজ্যে সম্পন্ন হয়েছে দুই দফার বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। যদিও এখনও পর্যন্ত বাকি রয়েছে গণনা। ইতিমধ্যেই স্ট্রংরুমে পৌঁছে গিয়েছে ইভিএম। ৪ তারিখ ভোটের ফল ঘোষণা হবে। তার আগে রাজ্যের স্ট্রংরুমগুলি ব্যাপক নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল স্ট্রংরুমে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। কিন্তু বর্তমানে তার থেকেও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এবার রাজ্য়ে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের থেকে কমানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ৮৭টি কেন্দ্রে এবার রাজ্যের ২৯৪টি আসনের ভোটের গণনা করা হবে। ২০২১ সালে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। এবছর ৮৭টি কেন্দ্রে গণনার জন্য নিরাপত্তা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিধম্যেই স্ট্রংরুমগুলিতে পৌঁছে গিয়েছে ইভিএম। এরকমই স্ট্রংরুমগুলির মধ্যে বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমে কড়া নিরাপত্তা। ভিতরে রয়েছে রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর ও রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভার ইভিএম রয়েছে।
বিধাননগর কলেজে দুটি বিল্ডিং রয়েছে। একটি নিউ বিল্ডিং ও একটি ওল্ড বিল্ডিং। আর ওল্ড বিল্ডিংয়েই সিসিটিভি মনিটর করা হয়েছে। রয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম। এখানে এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্টে বা স্ট্রংরুমের বাইরে কোনও অংশেই অবৈধ কোনও ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। কোনও রকম জমায়েত এই বিল্ডিংয়ের বাইরে করা যাবে না। স্ট্রংরুম সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য পুলিশের তরফে বাইরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি স্ট্রংরুমের ভিতরে মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজে রয়েছে ৪টি বিধানসভার ইভিএম। সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যাদবপুরের এপিসি রায় পলিটেকনিক কলেজে ৭টি বিধানসভার ইভিএম রয়েছে। সেখানে আগামী ৪ তারিখ কড়া নিরাপত্তায় গণনা হবে। তার আগে সেখানে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য স্ট্রংরুমেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যজুড়ে স্ট্রংরুমের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। চলছে নাকা চেকিং। গণনার আগে পর্যন্ত কোনও ফাঁকফোকর রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন।
