দ্বিতীয় দফার ভোটের পরই স্ট্রংরুমে নজরদারির উদাসীনতা নিয়ে সরব রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার গণনাকেন্দ্রের পাহারায় পোলিং এজেন্টদের ভূমিকা কী থাকবে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ বুঝিয়ে দিতে বৈঠক ডাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। আগামিকাল বিকেল ৪টেয় এজেন্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসবেন তিনি।
জানা গিয়েছে, এক্সিট পোলের সমীক্ষায় ভরসা না করে গণনা শেষমূহূর্তে পর্যন্ত মাটি কামড়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়া বার্তা দিতে পারেন অভিষেক। ইতিমধ্যেই কাউন্টিং এজেন্টদের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁদের ঠান্ডা মাথায় পুরো গণনাপ্রক্রিয়ায় নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে আগামিকালের বৈঠকে। প্রসঙ্গত, কারচুপির আশঙ্কায় যেভাবে তৃণমূলের তরফে স্ট্রংরুমের বাইরে নিরাপত্তা জোরদোর করা হয়েছে, ঠিক তেমনভাবেই গণনাকেন্দ্রের ভিতরেও কড়া নজর রাখতে হবে এজেন্টদের। কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত চালাতে হবে নজরদারি, বাইরে বেরনোর প্রয়োজন পড়লে তৎক্ষণাৎ বিকল্প এজেন্টদের তৈরি থাকতে হবে গণনাকেন্দ্রে। গণনাপ্রক্রিয়া চলাকালীন সেখানে সন্দেহজনক কাউকে নজরে এলে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিতে হবে। দলীয় প্রার্থীদের খবর দিতে হবে তখনই। কোনও প্ররোচনায় পা না দেওয়ার কথাও বলা হতে পারে বৈঠকে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কারচুপির আশঙ্কায় কলকাতার শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল ও ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে টানা ৪ ঘণ্টা পাহারায় ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে ধরনায় বসে পড়েন কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজারা। স্ট্রংরুমে কারচুপির হতে পারে, এই আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, গণনার দিন সাংবাদিক বৈঠক করে না বলা পর্যন্ত যাতে দলীয় এজেন্টরা যাতে গণনাকেন্দ্র না ছাড়েন। বিজেপির এক্সিট পোলে 'মিথ্যা' বলে দাবি করে এজেন্ট-কর্মীদের মাটি আঁকড়ে লড়াই করার বার্তাও দেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
