'স্ট্রংরুম' পাহারার কথা বলছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইভিএমে কারচুপির ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। সেই আবহে এবার কাটোয়া কলেজের স্ট্রংরুম ‘ব্ল্যাক আউট’ হয়ে গেল! প্রায় ১৯ মিনিট সেখানে সিসিটিভি বন্ধ থাকল বলে অভিযোগ। সিসি ক্যামেরা বিকল হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে সেই ১৯ মিনিটে স্ট্রংরুম-এ কোনও কিছু ঘটেনি তো? কোনও বহিরাগত সেখানে ঢুকে পড়েনি তো? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
ভোট (WB Assembly Election 2026) মিটতেই ইভিএম রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাঢ় স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বাইরে পাহারায় রয়েছে। তাছাড়াও স্ট্রংরুম সিসিটিভিতে মোড়া রয়েছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঞকা করেছেন স্ট্রংরুমে কারচুরি হতে পারে। দলের নেতা-কর্মীদের স্ট্রংরুমের সামনে পাহারায় থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। আগামী সোমবার ভোটগণনা। সেই আবহে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় স্ট্রংরুম ১৯ মিনিট অন্ধকার থাকল! কেন এই ঘটনা হল? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ১৯ মিনিট অনেক সময়। গোটা স্ট্রংরুম সম্পূর্ণ আঁধার থাকল। তাহলে কি এর মধ্যে কোনও কারচুপি হয়ে গেল? সেই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। কাটোয়া কলেজে এই স্ট্রংরুম তৈরি করা হয়েছে।
কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কী কারণে খারাপ হয়েছিল? তা জানানো হয়নি। বিষয়টি তৃণমূল-বিজেপি দুই রাজনৈতিক দলই উষ্মাপ্রকাশ করেছে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯ মিনিট কেন অন্ধকার থাকল? কেন এই গাফিলতি? সেই তথ্য চাওয়া হয়েছে কমিশনের কাছে। দলের তরফে নজরদারি আরও বাড়ান হয়েছে। অভিযোগ, সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ থাকার সময় স্ট্রংরুমের বাইরে তিন সরকারি কর্মীকে লক্ষ্য করা যায়। স্ট্রংরুমের চারদিকে কড়া পাহারা থাকার কথা। তাহলে কীভাবে ওই তিনজন সেখানে উপস্থিত হলেন? সেই রহস্যও দানা বাঁধছে।
বিক্ষোভে বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ ঘোষও বিষয়টি নিয়ে উগ্বেদ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, নিরাপত্তায় কোনওরকম ফাঁক থাকা উচিত নয়। স্ট্রংরুমের জানালায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও ভাঙা পাঁচিল নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন তিনি।
