'যৌন অপরাধী' এপস্টেইনকে নিয়ে সর্বত্র জোর চর্চা। তাঁর কেচ্ছা নিয়ে সামনে এসেছে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য। তারই মাঝে এবার উঠে এল এক বিশেষ ফুলের কথা। যার সঙ্গে আবার বাংলার প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে। হিন্দু পুরাণেও রয়েছে সেই ফুলের কথা। আর এই তথ্য হতবাক করেছে সকলকেই।
এপস্টেইন ফাইলে নাম রয়েছে এই ফুলটির
এপস্টেইনের বাগানে চাষ হওয়া ট্রাম্পেট ফ্লাওয়ার খানিকটা বাঁশির মতো দেখতে। যার মুখের দিক বেশ বড়। নিচের দিকটি সরু। যা অনেকটা বাংলার অলিগলিতে ফোঁটা ধুতরো ফুলের মতো।
তথ্য বলছে, এপস্টেইনের বাগানে নাকি একধরনের ফুল চাষ হত। যার নাম ট্রাম্পেট ফ্লাওয়ার। এই ফুলটি খানিকটা বাঁশির মতো দেখতে। যার মুখের দিক বেশ বড়। নিচের দিকটি সরু। যা অনেকটা বাংলার ধুতরো ফুলের মতো। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী এই ফুলটি ছাড়া শিবপুজো অসম্পূর্ণ।
এই ফুলটিতে থাকে অ্যান্টিকোলিনার্জিক ট্রোপেন অ্যালকালয়েড স্কোপোলামাইন। স্কোপোলামাইন, অ্যাট্রোপিন এবং হোসামাইন স্নায়ুতন্ত্রকে নাড়িয়ে দিতে পারে। এককথায় এগুলি অত্যন্ত বিষাক্ত। এই বিষ সামান্য পরিমাণ শরীরে গেলে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে যেতে হবে। স্নায়ুতন্ত্রের উপর প্রভাব ফেলে গোটা শরীরকে অসাড় করে দিতে পারে। সুতরাং প্রাণহানি না হলেও এই বিষ চলচ্ছক্তিহীন করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই ফুলের কথা উল্লেখিত বেশ কয়েকটি ই-মেল সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে। তাতেই মোটের উপর স্পষ্ট যে, কাউকে অচেতন করার ক্ষেত্রে হয়তো এই ফুলের সাহায্য নিতে এপস্টেইন।
ট্রাম্পেট ফ্লাওয়ার খানিকটা বাঁশির মতো দেখতে। যার মুখের দিক বেশ বড়। নিচের দিকটি সরু
হিন্দু পুরাণ আবার এই ধুতরো ফুলের উল্লেখ রয়েছে। কথিত আছে, সমুদ্রমন্থনের সময় বিষ পান করে নীলকণ্ঠ হন মহাদেব। সেই সময় নাকি ধুতরো তাঁর মাথার কাছে রাখা হয়। সেই সময় অবশ্য নীলকণ্ঠের জ্বালা যন্ত্রণা দূর করতে এই কাজ করা হয়েছিল। তবে ধুতরো ফুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। ফুলের গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করবেন না। এই ফুলে হাত দেওয়ার পর দৃষ্টি ঝাপসা, স্মৃতি বিলোপ, অস্থিরতার মতো কোনও উপসর্গ দেখা দিলে সতর্ক হোন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নইলে বড়সড় বিপদ হতে পারে।
এই ফুলটিতে থাকা স্কোপোলামাইন, অ্যাট্রোপিন এবং হোসামাইন স্নায়ুতন্ত্রকে নাড়িয়ে দিতে পারে
