স্থায়ী চাকরির পাশাপাশি অতিরিক্ত উপার্জন কে না চায়! অনেকেই অনেক রকম কাজ করেন দৈনন্দিন ৯-৫-এর চক্কর সামলে। কিন্তু স্রেফ নিজের পায়ের পাতার ছবি থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগার করা যায় জানতেন? যতই বিচিত্র লাগুক শুনতে, বিষয়টা নিখাদ সত্যি। তবে এইটুকু শুনলে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ভারতে কি এটা আদৌ প্রযোজ্য হবে? তার চেয়েও বড় কথা, বিষয়টা নিরাপদ তো? কোনও আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে না তো? উত্তরটা কিন্তু একটু জটিল। সহজ 'হ্যাঁ' কিংবা 'না' দিয়ে বোঝানো যাবে না।
এদেশে কি পায়ের পাতার ছবি বিক্রি করা আইনত সিদ্ধ? আপাত ভাবে তা নয়। অন্তত যতক্ষণ আপনি নিয়ম মেনে চলছেন। কী নিয়ম? প্রথমত, ছবি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্ক হতেই হবে। দ্বিতীয়ত, নিজের ফোন ব্যবহার করতে হবে। তৃতীয়ত, নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার 'কনটেন্ট' অশ্লীল নয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কোনও কোনও সোশাল মিডিয়া এই ধরনের ছবি ব্লক করে দিতে পারে। বা জারি করতে পারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। যদি তারা নিশ্চিত থাকে, আইন ভঙ্গ করা হয়েছে। পাশাপাশি এই উপার্জন কিন্তু করযোগ্য। সেটাও ফাইলিংয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে। সুতরাং সব মিলিয়ে যতই এই ধরনের ছবি বিক্রি আইনত বৈধ হোক, আপনাকে তা করার সময় নিরাপদে থাকতেই হবে। আর সেজন্য কিছু বিশেষ দিকে খেয়াল রাখা দরকার। এদেশের তথ্যপ্রযুক্তি আইন, ২০০০ এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির কিছু ধারা অনুসারে বিষয়টা বেআইনি প্রতিপণ্ণ হতেই পারে, যৌন উসকানিমূলক পোস্ট করার জন্য। এবং সেক্ষেত্রে মাথায় রাখা দরকার কোনটা যৌন উসকানিমূলক আর কোনটা নয় সেটা কিন্তু আপেক্ষিক। সুতরাং সতর্ক থাকতই হবে।
যতই বিচিত্র লাগুক শুনতে, বিষয়টা নিখাদ সত্যি। তবে এইটুকু শুনলে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ভারতে কি এটা আদৌ প্রযোজ্য হবে? তার চেয়েও বড় কথা, বিষয়টা নিরাপদ তো? কোনও আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে না তো? উত্তরটা কিন্তু একটু জটিল। সহজ 'হ্যাঁ' কিংবা 'না' দিয়ে বোঝানো যাবে না।
কিন্তু কীভাবে বিক্রি করা সম্ভব ছবি? একটি ওয়েবসাইট রয়েছে, যার নাম, 'ফিটফাইন্ডার'। এর জন্য ইমেলের সাহায্যে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। আর এরপর আপনাকে একটি প্ল্যান বেছে নিতে হবে। বেসিক প্ল্যানের খরচ পড়বে ৪৫০ টাকা। কিন্তু রোজগার কী ভাবে হবে সেটা অনেকগুলি বিষয়ের উপরে নির্ভর করে। যেমন, আপনি কত ছবি আপলোড করছেন, আপনার অডিয়েন্স কারা এবং কতজন আপনার কনটেন্ট কিনছে। কোনও কোনও ব্যক্তি যেমন হাজার পাঁচেক কামিয়েছে, আবার কেউ কেউ মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেছে। কেউ তারও বেশি। সবটাই নির্ভর করছে চাহিদা, ধারাবাহিকতা ও বিপণন দক্ষতার উপরে।
তবে, ভারতীয়দের জন্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অনেক প্ল্যাটফর্মই হয়তো সরাসরি ভারতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারে না। সেক্ষেত্রে নানা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এটা কোনও সমস্যা নয়। অনায়াসেই তা সামলে নেওয়া যায়, সেটিংসে কিছু পরিবর্তন করে। বরং খেয়াল রাখতে হবে নিরাপত্তার দিকটি।
