সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরশোলা অনেকের কাছেই মূর্তিমান বিভীষিকা। কেউ কেউ আছেন আরশোলার নাম শুনলেই কার্যত মূর্ছা যান। মহিলাদের একটা অংশের মধ্যে আরশোলা ভীতি মারাত্মক। কিন্তু পুরুষদের মধ্যে এই পতঙ্গকে নিয়ে যে অস্বস্তি কোন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তা টের মিলল অস্ট্রেলিয়ায়।
[আজব কাণ্ড! গোরক্ষপুরের ভোটার তালিকায় বিরাট কোহলির নাম]
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের একটি বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তার জেরে বাড়িতে আগুন লেগে যায়। তড়িঘড়ি পৌঁছে যায় দমকল। এরপরই বিস্ফোরণের আসল কারণ সামনে আসে। দমকল কর্মীরা জানতে পারেন বাড়ির এক যুবকের কাণ্ডে এত বড় ঘটনা। আসলে আরশোলার উৎপাতে কার্যত মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল মাইকেল ওয়ার্নার নামে জনৈক ব্যক্তির। রান্নাঘরে পতঙ্গের পালকে একাবারে সাবাড় করতে মাইকেল একটি স্প্রে ব্যবহার করেন। কিন্তু তার মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে রান্নাঘরে আগুন লেগে যায়। তারপর স্টোভ ফেটে বিস্ফোরণ। বাড়ির একাংশ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কপাল জোরে বেঁচে যান মাইকেলের পরিবারের সদস্যরা। তবে মাইকেলের শরীরের অনেকটা জায়গা পুড়ে যায়। তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করতে হয়েছে। শুধু আরশোলার জন্য এত বড় ঘটনা জানতে পেরে অবাক মাইকেলের প্রতিবেশীরা। তাদের বাড়িতেও কম-বেশি এই সমস্যা রয়েছে। তবে কেউ আরশোলা মারতে এভাবে স্প্রে বা আগুন ধরানোর কথা মাথায় আনেননি। মাইকেলের এমন আজব পরিকল্পনায় অনেকেই কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। বাড়ির লোকজনও পর্যন্ত অবাক।
[ফেল করে বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টা, কিশোরীকে মোদির বই উপহার রেলমন্ত্রীর]
ওই যুবকের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে বাড়িতে আরশোলার বাড়বাড়ন্তে সে নাজেহাল হয়ে পড়েছিল। পতঙ্গের বংশ ধ্বংস করতে মাইকেল বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু নানা দাওয়াইয়েও কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত আগুন দিয়ে মারার ছক কষে। তার ফলে এই বিপত্তি। হাসপাতালে শুয়েও নাকি সে আরশোলা নিয়ে বিড়বিড় করে চলেছে। তাঁর এই অবস্থার জন্য চিকিৎসকরা মাইকেলকে কয়েক দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তদন্তকারীরা বলছেন আরশোলার জন্য এমন কাণ্ডকারখানা তাদের কখনও নজরে আসেনি।
