Advertisement
বাজার থেকে তরমুজ এনেই শিশুর মুখে তুলে দিচ্ছেন? আগে যাচাই করুন তা আসল না নকল!
পুষ্টিবিদদের মতে, এই গরমে খাদ্যতালিকায় নজর দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। পুষ্টির পাশাপাশি শরীরের আর্দ্রতাও বজায় থাকবে। কিন্তু, বাজার থেকে যে তরমুজ কিনবেন তা আসল না নকল? বুঝবেন কীভাবে? তরমুজ দ্রুত পাকাতে ও লাল রং করতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিষাক্ত ইনজেকশন। তাই নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তরমুজ কিনে এনে প্রথমে এই কাজগুলি করুন।
বৈশাখের তীব্র দাবদাহ। পূর্বাভাস থাকলেও দেখা নেই বৃষ্টির। গরমে ঘেমেনেয়ে একসা। এক্কেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা। গ্রীষ্মের এই দিনগুলিতে শরীরখারাপ হওয়ার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশি। শরীর জলশূন্য হয়ে ঘটতে পারে বিপদ। তাই, এই সময় ভরসা রাখুন মরশুমি ফলে। শরীরে জলের জোগান দিতে তরমুজের কোনও বিকল্প নেই।
পুষ্টিবিদদের মতে, এই গরমে খাদ্যতালিকায় নজর দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। পুষ্টির পাশাপাশি শরীরের আর্দ্রতাও বজায় থাকবে। কিন্তু, বাজার থেকে যে তরমুজ কিনবেন তা আসল না নকল? বুঝবেন কীভাবে? তরমুজ দ্রুত পাকাতে ও লাল রং করতে ব্যবহৃত হচ্ছে বিষাক্ত ইনজেকশন। তাই নিজের পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তরমুজ কিনে এনে প্রথমে এই কাজগুলি করুন।
তরমুজ কাটার পর লাল অংশে একটি পরিষ্কার সাদা টিস্যু পেপার চেপে ধরুন। যদি টিস্যুর রং গাঢ় লাল বা গোলাপি হয়ে যায়, তবে বুঝবেন এতে কৃত্রিম রং মেশানো হয়েছে। প্রাকৃতিক তরমুজে টিস্যু শুধু ভিজে যাবে, কিন্তু কোনও কড়া রং ছাড়বে না।
তরমুজের একটি ছোট টুকরো এক গ্লাস পরিষ্কার জলে ডুবিয়ে রাখুন। ৫-১০ মিনিট পর জলের রং লক্ষ্য করুন। যদি জল লালচে হয়ে যায়, তবে নিশ্চিত থাকুন এতে কৃত্রিম রং বা কেমিক্যাল রয়েছে। কৃত্রিম রং খুব দ্রুত জলে মিশে জলকে রঙিন করে তোলে।
তরমুজ কেনার সময় লক্ষ্য করুন তার গায়ে বড় কোনও হলুদ রঙের ছোপ আছে কি না! তরমুজ যেখানে মাটির সংস্পর্শে থাকে, সেখানে প্রাকৃতিকভাবে এই হলুদ দাগ তৈরি হয়। পুরো তরমুজ যদি অতিরিক্ত মসৃণ ও ঘন সবুজ হয়, তবে তা রাসায়নিকের ফল হতে পারে।
তরমুজ ভেতর থেকে টকটকে লাল কিন্তু বীজগুলো সাদা বা কাঁচা? এটি ইনজেকশন দেওয়ার বড় লক্ষণ। প্রাকৃতিকভাবে পাকা তরমুজের লাল ভাব ও বীজের পরিপক্বতা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সাধারণত পাকা তরমুজের বীজ গাঢ় কালো বা কালচে খয়েরি রঙের হয়ে থাকে।
তরমুজ কেনার আগে চারপাশ ভালো করে ঘুরিয়ে দেখুন। যদি খোসার গায়ে ছোট কোনও সূক্ষ্ম ছিদ্র বা কোনও বিশেষ অংশ অস্বাভাবিক নরম মনে হয়, তবে সেটি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় ওই ছিদ্র দিয়েই সিরিঞ্জ প্রবেশ করায়।
তরমুজ খাওয়ার সময় যদি চিনির মতো অতিরিক্ত মিষ্টি লাগে, তবে সাবধান হোন। রাসায়নিকভাবে পাকানো তরমুজে অনেক সময় স্যাকরিন বা কৃত্রিম মিষ্টিকারক ইনজেকশন দেওয়া হয়। প্রাকৃতিক তরমুজের মিষ্টিভাব হালকা।
তরমুজ কাটার পর যদি ভেতরে সাদাটে কোনও আস্তরণ বা কাটার কয়েক ঘণ্টা পর ফেনা লক্ষ্য করেন, তবে তা খাবেন না। এটি রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় ইনজেকশন দেওয়া তরমুজ দ্রুত পচনশীল হয় এবং ভেতর থেকে জল বেরিয়ে আসে।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 04:16 PM May 13, 2026Updated: 04:16 PM May 13, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
