Advertisement
ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার, মোটা টাকার সরকারি চাকরি ছেড়ে হন র্যাপার, কীভাবে পালটায় বাদশার জীবন?
তাঁর র্যাপ গানে বুঁদ আসমুদ্রহিমাচল। 'গেন্দা ফুল' থেকে 'কালা চশমা', 'পানি পানি'র মতো র্যাপ গানে মাতিয়েছেন তিনি এদেশের নতুন প্রজন্মকে।
তাঁর র্যাপ গানে বুঁদ আসমুদ্রহিমাচল। 'গেন্দা ফুল' থেকে 'কালা চশমা', 'পানি পানি'র মতো র্যাপ গানে মাতিয়েছেন তিনি এদেশের নতুন প্রজন্মকে। কিন্তু আজ যাঁর র্যাপ গানে সকলে মেতে ওঠেন সেই বাদশাই ছিলেন এক সময়ে একজন সরকারি কর্মী।
ছিলেন পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। মোটা টাকার সরকারি চাকরি করতেন একটা সময় বাদশা। সেই চাকরি ছেড়ে পরবর্তীকালে হয়ে ওঠেন সকলের পছন্দের র্যাপার। কিন্তু তা হয়েছিল কীভাবে?
আর পাঁচটা পরিবারে সন্তানকে বড় করে তোলা থেকে তার পড়াশুনায় নজর দেওয়ার মতো বিষয় জনপ্রিয় র্যাপারের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম হয়নি। কম পরিশ্রম করতে হয়নি মা-বাবাকে নিহের পছন্দটা বোঝাতে। আর তা করে ওঠা সহজ ছিল না একেবারেই।
এক সাক্ষাৎকারে বাদশা নিজে অকপটে জানিয়েছিলেন যে, একবার তাঁর র্যাপার হওয়ার ইচ্ছা মা-বাবার সামনে প্রকাশ করেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন জীবনে তিনি কী হতে চান। আর তার উত্তরে বাদশার পরিবারের তরফে পালটা প্রশ্ন এসেছিল 'র্যাপ বা র্যাপার কী জিনিস?'
র্যাপ ঠিক কী? তা বোঝাতে আমি একটি ভিডিও মা-বাবাকে দেখাই। তা দেখার পরও তাঁরা রাজি হননি। বরং উত্তরে বলেছিলেন, 'আগে বড় হয়ে যাও তারপরে যেটা মন চায় সেটা করো।'
বাদশা এমনও বলেন, আমার মা-বাবাকে বোঝানোর জন্য আমার কাছে আরও এক উদাহরণ ছিলেন বাবা সেহগল। কিন্তু সেই উদাহরণ দেখিয়েও যে আমাই আমার ভাবনাচিন্তা সম্পর্কে মা-বাবাকে রাজি করাতে পারতাম তা নয়।"
চণ্ডীগড়ের একটি কলেজে বাদশার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়া শেষ করেন। ছিলেন পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর চাকরিও পান তিনি। কিন্তু সেই চাকরিতে মন বসছিল। বসবেই বা কী করে? সেখানে যে শুধুই সুরের খেলা চলে।
সেই অভিজ্ঞতাও সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন বাদশা। বলেছিলেন, "প্রতিদিন মাথায় হেলমেট পড়ে সাইটে যাওয়া বাদশার কাছে একঘেয়ে হয়ে উঠেছিল। বাদশা বলেছিলেন যে, "সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের ওই পেশা আমার একেবারেই ভালো লাগছিল না।"
Published By: Arani BhattacharyaPosted: 07:26 PM Jan 29, 2026Updated: 07:26 PM Jan 29, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
