Advertisement
প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণার পর রাতভর বাড়ি ফেরেননি অরিজিৎ সিং! 'সোমু'র সিদ্ধান্তে মন ভার জিয়াগঞ্জেরও
মঙ্গলবার রাতে বাণপ্রস্থ ঘোষণার পর কোথায় ছিলেন গায়ক?
মঙ্গলবার রাত থেকেই সোশাল পাড়ার চর্চায় অরিজিৎ সিংয়ের স্বেচ্ছাবসর। কেরিয়ারের মধ্যগগনে মাত্র ৩৮ বছর বয়সে প্লেব্যাক দুনিয়াকে 'আলবিদা' জানানোর সিদ্ধান্তে মন খারাপ তাঁর আসমুদ্রহিমাচলের অনুরাগীদের। গায়কের এহেন সিদ্ধান্তে সিনেজগতের সঙ্গীত সাম্রাজ্যে এখন শুধুই হাহাকার!
নিজের শিকড়ে রাজপাট সাজিয়ে অরিজিৎ যখন মহারণক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন, তখন অনুরাগীমহলের আক্ষেপ একটাই, আর কখনও সিনেমার পর্দায় অরিজিতের সুরের মূর্ছনায় জীবন্ত হবে না নায়ক-নায়িকার রোম্যান্স, মান-অভিমান, বিচ্ছেদযন্ত্রণা। মন ভার জিয়াগঞ্জেরও।
সতেরো বছর বয়সে 'ফেম গুরুকূলে' নজরকাড়া জিয়াগঞ্জের সেই 'সোমু' (অরিজিৎ) মঙ্গলবার রাতে এক পোস্টে গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছেন। এহেন বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অরিজিতের পরিজন-প্রতিবেশীদের কী প্রতিক্রিয়া?
জানা গেল, অরিজিৎ সিংয়ের বাবার রেস্তরাঁ 'হেঁশেলে' নিত্যদিন খেতে আসা পড়ুয়াদেরও মন খারাপ 'প্রিয় সোমুদা'র সিদ্ধান্তে। তারা চাইছে আবারও প্লেব্যাক দুনিয়ায় ফিরুক তাদের দাদা।
স্থানীয় সূত্রে খবর, প্লেব্যাক ছাড়ার ঘোষণার পর রাতভর বাড়ি ফেরেননি অরিজিৎ সিং। তাহলে কি আসমুদ্রহিমাচলের অনুরাগীদের মতো তাঁরও মন খারাপ?
জানা গেল, রোজকার মতো এদিনও সঙ্গীত সাধনায় মগ্ন ছিলেন অরিজিৎ সিং। তবে বাড়িতে নয়। সেখান থেকে খানিক দূরে।
জিয়াগঞ্জের শিবতলা ঘাটের অনতিদূরেই অরিজিতের পৈতৃক ভিটে। আর সেখান থেকে আরও দুশো মিটার দূরে তাঁর স্টুডিও বাড়ি।
সবুজ রঙের দোতলা বাড়িতে নিজের মতো করে স্টুডিও সেটআপ করেছেন অরিজিৎ। যেখানে রূপম ইসলাম, অনুপম রায়-সহ বহু শিল্পীদের সঙ্গে গান-আড্ডা চলেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
Published By: Sandipta BhanjaPosted: 07:47 PM Jan 28, 2026Updated: 07:47 PM Jan 28, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
