Advertisement
সমুদ্রতটে বেড়ানোর প্ল্যান? বিকিনি ছেড়ে সেজে উঠুন এই ৫ ধরনের বিচওয়্যারে
সুইমস্যুট পরলেই ঘাম হয়, দমবন্ধ লাগে, ভারতীয় ফিগারের সঙ্গে একেবারেই বেমানান লাগে এমন পোশাক— এই ধারণা পোষণ করেন অনেকেই। এই মিথ ভাঙার দিন এসে গিয়েছে!
মন খুঁতখুঁতের দিন শেষ! সমুদ্রসৈকতে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করে থাকলে, নিশ্চিন্তে বেছে নিতে পারেন সুইমস্যুট। দূরের সমুদ্র নয়, রিসোর্টের সুইমিং পুলে নামতে হলেও অন্য যে কোনও পোশাকের চাইতে উপযোগী সুইমওয়্যারই। ভারতীয় এথনিক পোশাক তো বটেই, টিশার্ট-শর্টস— কোনও পোশাককেই জলে নামার উপযোগী হিসেবে বানানো হয়নি। তাই সেসব ভিজলে শরীর ভারী লাগে। অস্বচ্ছন্দ লাগতে পারে। হীনম্মন্যতাও লাগতে পারে বাকিদের সামনে।
সুইমস্যুট মানেই কিন্তু বিকিনি নয়! বরং কে তা পরছেন, সে বিষয়টি মাথায় রেখে বানানো হয়েছে বিবিধ ধরনের সুইমওয়্যার। সঠিকটি বেছে নিতে পারলে, সহজেই ক্যারি করা যায়। দীর্ঘ সময় পেরোলেও অস্বস্তি লাগে না। তাছাড়া, সুইমস্যুট পরলেই ঘাম হয়, দমবন্ধ লাগে, ভারতীয় ফিগারের সঙ্গে একেবারেই বেমানান লাগে এমন পোশাক— এই ধারণা পোষণ করেন অনেকেই। এই মিথ ভাঙার দিন এসে গিয়েছে!
নি-হাই ওয়ান পিস সুইমস্যুট – একঢালা এই সাঁতারের পোশাক একেবারে হাঁটু পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যদিও উরুর উপরে শেষ হয়ে যায়, এমন ওয়ান পিসও পাওয়া যায়। ইচ্ছেমতো হাতকাটা, অথবা হাতা-সহ বেছে নেওয়া যাক এই পোশাক। দেহে মাখনের মতো মোলায়েম হয়ে থাকে, সঠিক ব্র্যান্ড নির্বাচন করতে পারলে তা অকারণ আঁটসাঁট লাগার কথা নয়। যে কোনও ওয়াটার স্পোর্টসের সময়েও নিশ্চিন্তে পরা যেতে পারে।
সুইমড্রেস – চট করে দেখে সাঁতারের পোশাক বলে মনেই হবে না! মনে হবে, যেন হাল ফ্যাশানের ড্রেস গায়ে দিয়েছেন জলে নামার আগে! উরুর উপর এসে থেমে যায় পোশাকের ঝুল। এ ধরনের সুইমড্রেস সাধারণত নানা ধরনের ফুলেল প্রিন্টে পাওয়া যায়। কখনও আবার পাওয়া যায় টু-পিস সুইমড্রেসও। যেখানে উপরের ঘের দেওয়া টপের সঙ্গে, বটমওয়্যার হিসেবে আলাদা স্ল্যাকস থাকে।
ফ্রক-স্টাইল সুইমস্যুট – ঝুল হাঁটু পর্যন্ত। হাতার রকমফের, গলার কাটিং, কিংবা ফ্রকের ঘের দেখলে বাইরে থেকে বোঝার উপায়ই নেই যে এই পোশাক আদতে জলে নামার উপযোগী করে বানানো! ফলে গোয়া অথবা আন্দামান গেলে, দিব্যি এই ফ্রক গায়ে দিয়ে ঘুরে বেড়ানো যায় সমুদ্রসৈকতে। জল থেকে উঠে আলাদা করে পোশাক বদলানোর তাড়া থাকে না।
টু-পিস কভার্ড সুইমস্যুট – যদি এসব কোনও পোশাকেই স্বচ্ছন্দ না লাগে, অথবা বয়স কিংবা শরীরের গঠন নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে থাকেন, তবে নির্দ্বিধায় ঝুঁকতে পারেন কভার্ড সুইমস্যুটের দিকে। এ ধরনের পোশাকে হাঁটু পর্যন্ত ঝুলের ফ্রক-স্টাইল টপ থাকে। সঙ্গে বটমওয়্যার হিসেবে থাকে একেবারে গোড়ালি অবধি ঢাকা স্ল্যাকস। বানাতে এমন ধরনের কাপড় ব্যবহার করা যায়, যাতে জলে নামলে অস্বস্তি হয় না।
বিকিনি – যদি বিকিনি পরা নিয়ে ছুৎমার্গ না থাকে, তবে আর চিন্তা কী? বিচ ভ্যাকেশনে যাওয়ার আগে স্যুটকেস ভর্তি করে ভরে নিন রকমারি টু-পিস বিকিনি। বৈচিত্র আনতে কখনও সলিড কালার, কখনও ফ্লোরাল অথবা পোলকা-ডট বেছে নেওয়া যায় প্রিন্টে। আপারওয়্যারের ক্ষেত্রে স্কুপনেক, হলটারনেক, প্লাঞ্জনেক, অ্যাসিমেট্রিক্যাল, রাফেল প্রভৃতি ভিন্ন ধরনের নেকলাইন বেছে নিতে পারেন। সঠিক অ্যাক্সেরারিজ দিয়ে তা করে তুলুন আরও আকর্ষণীয়।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 08:06 PM Jul 02, 2026Updated: 08:06 PM Jul 02, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
