Advertisement
রহস্যপুরী নাকি পিশাচ সাধনা, হত নরবলি! খোঁজ মিলল এপস্টেইনের দ্বীপে ‘শয়তান’ মন্দিরের
জেফ্রি এপস্টেইন আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায়। শিশু যৌন অপরাধী এই ব্যক্তির ব্যক্তিগত দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’। এপস্টেইন দ্বীপ নামেও সেটি পরিচিত। সেই দ্বীপের একটি নীল-সাদা স্থাপত্য সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে চর্চার বিষয়। জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের ফাইল এবং সাম্প্রতিক নথিপত্র এক শিহরণ জাগানো রহস্যকে উসকে দিয়েছে। কী সেই রহস্য?
জেফ্রি এপস্টেইন আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায়। শিশু যৌন অপরাধী এই ব্যক্তির ব্যক্তিগত দ্বীপ ‘লিটল সেন্ট জেমস’। এপস্টেইন দ্বীপ নামেও সেটি পরিচিত। সেই দ্বীপের একটি নীল-সাদা স্থাপত্য সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে চর্চার বিষয়। জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের ফাইল এবং সাম্প্রতিক নথিপত্র এক শিহরণ জাগানো রহস্যকে উসকে দিয়েছে।
মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এই এপস্টেইন ফাইলস আসলে কী? এ হল কয়েক হাজার পাতার আদালতের নথি। এগুলি ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামক এক মহিলার করা মানহানির মামলার অংশ। বছরের পর বছর আইনি লড়াইয়ের পর নিউইয়র্কের আদালত এই ফাইলগুলি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেয়।
কীভাবে প্রকাশ্যে এল এই নথি? ২০২৪ সালের শুরু থেকে ধাপে ধাপে এই নথি ফাঁস হতে শুরু করে। এর আগে বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি এই নামগুলি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন। আদালতের কড়া নির্দেশে শেষ পর্যন্ত কয়েকশো হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির নাম এবং জবানবন্দি এখন পৃথিবীর নজরে।
ফাঁস হওয়া ফাইলে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম একাধিকবার এসেছে। নথিতে উল্লেখ রয়েছে, এপস্টেইনের বিমানে এবং ক্যাসিনোতে ট্রাম্পকে দেখা গিয়েছিল। তবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নাবালিকা নির্যাতনের সরাসরি কোনও অভিযোগ বা প্রমাণ এই ফাইলে মেলেনি।
এই তালিকায় শুধু ট্রাম্প নন, বিল ক্লিনটন, প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং স্টিফেন হকিংয়ের মতো বিশ্ববিশ্রুত নামও রয়েছে। যদিও নাম থাকা মানেই তাঁরা অপরাধী নন। তবে এপস্টেইনের অন্ধকার জগতের সঙ্গে তাঁদের মেলামেশা নিয়ে বড় প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই।
তবে এই ফাইলে সম্প্রতি এমন এক তথ্য মিলেছে যা শুধু যৌন কেচ্ছা বা অপরাধ নয়, হদিস দেয় এক অজানা অচেনা অলৌকিক জগতের। হ্যাঁ, শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও, এটি সত্য। ক্যারিবিয়ান দ্বীপের উঁচু জায়গায় অবস্থিত একটি নীল-সাদা স্থাপত্যের সন্ধান মিলেছে। এটি দেখতে অনেকটা মন্দিরের মতো। এর মাথায় সোনালি রঙের গম্বুজ পাওয়া গিয়েছে। আদালতের ফাইলে দেখা গিয়েছে, স্থাপত্যটির ভেতরে অদ্ভুত সাজসজ্জা এবং ধুলোমাখা গদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
সমাজমাধ্যমে জল্পনা তুঙ্গে যে, এই মন্দিরে ‘মোলক’ নামক এক প্রাচীন দেবতার আরাধনা চলত। হিব্রু বাইবেলে উল্লিখিত এই দেবতা শিশু বলিদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদিও তদন্তকারী আধিকারিকরা এখনও পর্যন্ত কোনও ধর্মীয় আচার পালনের সরাসরি প্রমাণ পাননি।
একটি ভাইরাল হওয়া ব্যাঙ্কিং নথিতে ‘Baal’ নামে একটি অ্যাকাউন্টের হদিস পাওয়া গিয়েছে। প্রাচীন ক্যানানীয় সভ্যতায় এই নামটির অর্থ ছিল এক নিষ্ঠুর দেবতা। এই তথ্য সামনে আসার পর বিতর্ক আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। অনেকেই মনে করেছেন, আসলে দ্বিপটি ছিল কোনও ভয়ানক প্রথার উৎস। প্রশ্ন উঠছে, এখানে কি নরবলি প্রথা চালু ছিল?
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 08:43 PM Feb 05, 2026Updated: 08:43 PM Feb 05, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
