Advertisement
'মা কখনও আমার কেরিয়ারে...', শ্বেতার কোন টিপসে গুণমুগ্ধ মেয়ে পলক?
পলক তিওয়ারির কেরিয়ারে সেলেব মম শ্বেতার কোন ভূমিকা পালন করেন? সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খোলসা করলেন অভিনেত্রী।
শ্বেতা তিওয়ারি, এই নামটার শুনলে আজও মনে পড়ে যায় 'কাল্ট ক্লাসিক' হিন্দি মেগা 'কসৌটি জিন্দেগি কি'র কথা। ২০০১ থেকে ২০০৮, একটানা আট বছর সম্প্রচারিত হয়েছিল শ্বেতা তিওয়ারি অভিনীত সেই হিন্দি ধারাবাহিক। সিরিয়ালের মতো বাস্তবেও দাম্পত্যের টানাপোড়েন সহ্য করেছেন। গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন স্বামী রাজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার সংসার পেতেও মেলেনি সুখ।
'সিঙ্গল মাদার' হিসেবেই দুই সন্তানকে বড় করেছেন শ্বেতা। চল্লিশোর্ধ শ্বেতার গ্ল্যামারাস লুক জেন জিকে অনায়াসেই টেক্কা দেয় সে কথা বলাই বাহুল্য। তাঁর শরীরী ভাষায় বিভোর ভক্তরা। সেলেব মম শ্বেতার সৌন্দর্যের সঙ্গে মেয়ে পলক তিওয়ারির তুলনা করে নেটভুবন। চল্লিশ পেরিয়েও কীভাবে নিজেকে এতটা 'ফিট অ্যান্ড ফাইন' রেখেছেন বা কোন বিউটি টিপসে আজও তন্বী শ্বেতা তা জানতে মুখিয়ে থাকে অনুরাগীরা।
বর্তমান প্রজন্মের কাছে শ্বেতার 'ফিটনেস' নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক। পলকের সঙ্গে ছবি-ভিডিও পোস্ট করলে আজও নেটপাড়ায় মেয়ের থেকে মায়ের চর্চা বেশি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পলক জানিয়েছেন ছোট থেকে অনেক প্রতিকূল পরিবেশের সম্মুখীন হয়েছেন। শ্বেতার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তাই একজন শিল্পী হিসেবে তাঁরা জীবনের যে কোনও পরিস্থিতিতে অতি সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পলক জানান, তাঁর মা ভারতীয় টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেও কখনও মেয়ের কেরিয়ারে হস্তক্ষেপ করেন না। নিজের সিদ্ধান্ত কখনও মেয়ের উপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা দেখেননি। মায়ের চরিত্রের এই বিশেষ গুণে মুগ্ধ পলক তিওয়ারি। সেলেব মম শ্বেতা প্রসঙ্গে নিজের আর কোন ভাবনা শেয়ার করলেন তারকা সন্তান পলক?
মায়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "আমার মা সম্পূর্ণভাবে নিজের অনুভূতির উপর ভরসা করে জীবনের সিদ্ধান্তগুলো নিয়েছেন। আর ঠিক সেই কারণেই কখনও ভুল প্রমাণিত হননি। একজন অভিনেতার জন্য নিজের অন্তর্দৃষ্টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর আমার মা আমার জন্য সেটাই করেন যেটা আমার পক্ষে সবচেয়ে ভালো। কখনও আমার কাজে হস্তক্ষেপ করেন না।"
পলকের সংযোজন, "মা কখনওই আমাকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেননি বরংসবসময় আমার পছন্দ অপছন্দকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি এটা খুব পছন্দ করছ, কিন্তু সত্যিই কি এটা করতে চাও? কারণ আমাদের জীবনযাত্রা একেবারেই আলাদা। মা জীবনে যা দেখেছেন এবং তিনি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছেন তার সঙ্গে আমার বড় হয়ে ওঠা ও অভিজ্ঞতা একদমই আলাদা। তাই আমাদের বলার গল্পও আলাদা।"
পালক আরও যোগ করেন, "মা আমার জীবনের চাহিদাটা খুব ভালোভাবে বোঝেন। তিনি শুধু জানতে চান গল্পটা আমার মনে দাগ কেটেছে কিনা। যদি কাটে, তাহলে আমাকে উৎসাহ দেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল গল্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত সংযোগ থাকতে হবে। এমন একটা গল্প হওয়া উচিত যা তুমি নিজে বলতে চাও।"
Published By: Kasturi KunduPosted: 06:00 PM May 12, 2026Updated: 06:00 PM May 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
