Advertisement
মা-স্ত্রীদের আত্মত্যাগেই বলীয়ান সূর্য-সঞ্জুরা, নারীদিবসে বিশ্বকাপ উপহার দিতে পারবে মেন ইন ব্লু?
কথায় বলে প্রত্যেক সফল পুরুষের নেপথ্যে থাকেন একজন নারী। সেই নারী দিবসেই টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া।
কথায় বলে প্রত্যেক সফল পুরুষের নেপথ্যে থাকেন একজন নারী। সেই নারী দিবসেই টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া। সেই দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারদের সাফল্যের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন তাঁদের জীবনের নারীরা।
মা, স্ত্রী, প্রেমিকা, বোন, বাগদত্তা-নানা রূপে সূর্যকুমার যাদবদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নারীশক্তি। কেউ নিজের কেরিয়ার বিসর্জন দিয়েছেন স্বামীর জন্য, কেউ বা দিনের পর দিন সংগ্রাম করেছেন ছেলের ক্রিকেট স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে।
রবিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলতে কেবল জশপ্রীত বুমরাহরাই নামবেন না, তাঁদের সঙ্গে বাড়তি শক্তি হয়ে শামিল হবে মা-স্ত্রী-প্রেমিকার প্রার্থনা। সূর্যরা জিতলে জিতে যাবেন অলক্ষ্যে লড়ে যাওয়া এই নারী ব্রিগেডও।
ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের স্ত্রী দেবিশা শেট্টি। পেশায় ভারতনাট্যম শিক্ষিকা ছিলেন। কিন্তু ২০১৯ থেকে নিজের কেরিয়ারের চেয়েও বেশি প্রাধান্য দিতে শুরু করেন সূর্যর কেরিয়ারকে। তাঁর তৈরি করা ফিটনেস এবং ডায়েটে ভর করেই তরতর করে উন্নতি হয় 'স্কাই'য়ের।
অটোচালকের সন্তান হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন দেখেছিলেন মহম্মদ সিরাজ। ছেলের সেই স্বপ্নকে ধুয়ে যেতে দেননি শাবানা বেগম। বাড়ি বাড়ি পরিচারিকার কাজ করে উপার্জন করেছেন। কঠিন সময়ে ছেলের পাশে থেকে মনের জোর জুগিয়েছেন।
ক্রিকেট ছেড়ে ইঞ্জিনিয়ারিংয়েই মন দেবেন বলে ঠিক করেছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। কিন্তু স্ত্রী নেহা খেড়কর অন্যরকম ভেবেছিলেন। বলেছিলেন, সংসারের সিংহভাগ তিনি চালিয়ে নেবেন। ক্রিকেট খেলে বরুণ মাত্র ৫ হাজার টাকা উপার্জন করলেই চলবে।
ভিন ধর্মে বিয়ে করায় তুমুল সমালোচনা এবং কটাক্ষের শিকার হন শিবম দুবে। কিন্তু অঞ্জুম খানের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে শিবমের ক্রিকেট কেরিয়ারের পালে যেন হাওয়া লাগে। প্রথমে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স, তারপর ভারতের টি-২০ দলে নিজের জায়গা পাকা।
বিয়ে না করলেও রিঙ্কু সিং বাগদান সেরেছেন সাংসদ প্রিয়া সরোজের সঙ্গে। বিশ্বকাপ চলাকালীনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রিঙ্কুর বাবা। টুর্নামেন্টের মধ্যেই বাবার শেষকৃত্য সেরে আবার দলে ফিরেছেন রিঙ্কু।
সিরাজের মতোই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করেছেন তিলক বর্মা। তরুণ তুর্কি উত্থানের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর মা গায়ত্রী দেবীর। সেই অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে মায়ের জন্য হাতে ট্যাটুও করিয়েছেন তিলক।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 07:02 PM Mar 07, 2026Updated: 07:02 PM Mar 07, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
