Advertisement
কখনও নগ্ন হয়ে সৈকতে, কখনও ড্রাগ নিয়ে গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার! বিতর্কের অপর নাম ব্রিটনি
একবিংশ শতকে গোটা পৃথিবীর সেরা পপ তারকাদের অন্যতম হলেও বিতর্ক তাঁকে ঘিরে কম নেই।
সদ্যই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে ব্রিটনি স্পিয়ার্সকে। তিনি পপ সম্রাজ্ঞী। একবিংশ শতকে গোটা পৃথিবীর সেরা পপ তারকাদের অন্যতম। কিন্তু এরই পাশাপাশি বিতর্কও তাঁকে তাড়া করে বেরিয়েছে সারা জীবনই। কখনও নিজের নগ্ন ছবি পোস্ট, কখনও ছুরি হাতে ভিডিও... বিতর্ক আর ব্রিটনি যেন হাত ধরাধরি করে হাঁটে।
১৯৮১ সালের ২ ডিসেম্বর মিসিসিপিতে জন্ম ব্রিটনির। খুব অল্প বয়সেই গান, নাচ ও রূপে সকলের মন জয় করেন। শিশুশিল্পী হিসেবে মিকি মাউস ক্লাবে যুক্ত হওয়া তার কেরিয়ারের প্রথম বড় পদক্ষেপ। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে আত্মবিশ্বাস। যা পরবর্তী সময়ে তাঁকে করে তোলে অনবদ্য শিল্পী।
তবে জীবনের পথ খুব মসৃণ নয় ব্রিটনির। ব্যক্তিগত জীবনে টানাপোড়েন, অসুস্থতায় বারবার ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে আদালতের রায়ে কার্যত বন্দিজীবন কাটাতে হয় তাঁকে। সেই সময় অবশ্য #freebritney আন্দোলন শুরু হয়। আইনি জটিলতা শেষে ২০২১ সালে অবশ্য জীবনের অধিকার ফিরে পান। এই অমসৃণতাই তাঁকে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছে।
ব্রিটনির একেবারে সাম্প্রতিক বিতর্কিত কাণ্ড ছিল নেশাগ্রস্ত হয়ে গাড়ি চালানো! ভোর তিনটের সময় তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, ড্রাগস ও অ্যালকোহল সেবনের পর গাড়ি চালাচ্ছিলেন পপ গায়িকা। এর কয়েকদিন আগে এক চার্টার বিমানে বসে সিগার ধরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি! পরে অবশ্য সোশাল মিডিয়ায় ক্ষমাও চান ব্রিটনি।
২০২৩ সালে গাড়ি চালানোর সময় ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়েতে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ব্রিটনি। ওই রাস্তায় ৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বেগের চেয়ে বেশি গতিবেগে গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। সেখানে পপ তারকার গাড়ির বেগ ছিল ৬১ মাইল প্রতি ঘণ্টা। যদিও তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, এটা ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘন হলেও অপরাধটির মাত্রা নেহাতই সামান্য।
সোশাল মিডিয়ায় ব্রিটনি একবার একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তাঁকে ছুরি হাতে নাচতে দেখা যায়। এমন ভিডিও দেখে আঁতকে ওঠেন বহু অনুরাগী। দ্রুত তাঁরা খবর দেন ভেঞ্চুরা কাউন্টির শেরিফের দপ্তরে। পরে জানা যায়, গায়িকা নিরাপদেই আছেন। এমনকী, তাঁর হাতে ধরা ছুরিটিও আসল ছুরি নয়।
অতি সম্প্রতি পপসম্রাজ্ঞী ইনস্টাগ্রামে তাঁর নিজের একটি ছবি শেয়ার করেন। সেই ছবিটিতে দেখা যায় তাঁর শরীরে পোশাকের লেশমাত্র নেই। হাত দিয়ে ঢাকা তাঁর স্তন। সমুদ্রের পাড়ে বালিতে পা ছুঁইয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ব্রিটনি। অগোছালো হাতে বাঁধা চুল। একগাল হাসি। ছবি ঘিরে বিতর্কের রোল ওঠে।
এখানেই শেষ নয়। গত অক্টোবরেও নিজের পাঁচ-পাঁচটি নগ্ন ছবি শেয়ার করেন ব্রিটনি। কোথাও গোপনাঙ্গ ঢাকা হাত দিয়ে। কোথাও ঢাকা ইমোজি দিয়ে। এর আগেও গত বছরের জানুয়ারি, মে, আগস্টেও একই ভাবে নগ্ন ছবি শেয়ার করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন ব্রিটনি।
ব্রিটনির জীবনের সবচেয়ে নাটকীয় অধ্যায় রচিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। মানসিক অবসাদে ভুগতে থাকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স নিজের মাথা মুড়িয়ে ফেলেন পাপারাজ্জিদের সামনে। এই সময় তাঁর ছেলেদের 'কাস্টডি'ও হারাতে হয় তাঁকে। সেবছরই প্রকাশিত হয় তাঁর সিঙ্গল 'গিমমি মোর'। প্রাথমিক ভাবে প্রবল সমালোচনা হয়েছিল গানটির। এরপরই প্রকাশিত তাঁর অ্যালবাম 'ব্ল্যাকআউট' প্রবল জনপ্রিয় হয়।
Published By: Biswadip DeyPosted: 08:03 PM Mar 06, 2026Updated: 08:11 PM Mar 06, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
