Advertisement
মুখেই বড় বড় কথা! আইপিএলের আনক্যাপড ক্রিকেটারের চেয়েও কম বেতন পিএসএলে সবচেয়ে দামি তারকার
এক দিকে অর্থের স্রোতে ভেসে যেতে পারেন ক্রিকেটাররা। অন্যদিকে অর্থ আনতে গিয়ে কালঘাম ছোটে ক্রিকেটারদের।
এক দিকে অর্থের স্রোতে ভেসে যেতে পারেন ক্রিকেটাররা। অন্যদিকে অর্থ আনতে গিয়ে কালঘাম ছোটে ক্রিকেটারদের। আইপিএল এবং পিএসএল। ভারত ও পাকিস্তানের দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের মধ্যে ব্যবধান সহস্র যোজনের।
কেন বলা হচ্ছে এ কথা? প্রমাণ দেওয়ার জন্য বহু তথ্যই পর্যাপ্ত। পাকিস্তান সুপার লিগের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার আইপিএলের আনক্যাপড খেলোয়াড় প্রশান্ত বীরের চেয়ে বহু গুণ কম উপার্জন করেন।
উত্তরপ্রদেশের অলরাউন্ডার প্রশান্ত বীর আইপিএলের মিনি নিলামে চমক দেখিয়েছেন। ৩০ লক্ষ বেস প্রাইসের এই তরুণ ক্রিকেটারকে ১৪.২০ কোটি টাকায় কিনেছে চেন্নাই সুপার কিংস। তিনি আসন্ন আইপিএলের অন্যতম দামি 'আনক্যাপড' ক্রিকেটার হিসাবে ইতিহাস গড়েছেন।
পাকিস্তান সুপার লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার স্টিভ স্মিথ। আইপিএলে দল পাননি। তাই মহাসমারোহে পিএসএলে হয়েছেন। পাকিস্তানি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ১১তম সংস্করণে শিয়ালকোট স্ট্যালিওনজ অজি তারকাকে রেকর্ড টাকায় কিনেছে। তিনি পাবেন ১৪ কোটি পাকিস্তানি রুপি। ভারতীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ যা প্রশান্ত বীরের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা কম।
এবার ফ্ল্যাশব্যাকে একবছর পিছিয়ে যাওয়া যাক। ২০২৫ সাল। আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাস গড়েছিলেন ঋষভ পন্থ। নিলামে তাঁকে ২৭ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। সেই অর্থ স্মিথের প্রায় ২৩ কোটি টাকা বেশি। আবার পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাবে, আইপিএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটারের বেতন পিএসএলের গত বছরের সবচেয়ে দামি প্রথম ১০ ক্রিকেটারের মিলিত বেতনের চেয়ে বহু গুণ বেশি।
গত পিএসএলের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। করাচি কিংসের হয়ে তিনি পেয়েছেন ২.৫৭ কোটি টাকা। পন্থের তুলনায় তা নগণ্য।
এ বছর স্টিভ স্মিথ মোটা টাকা পেলেও তা আবার ২০২৬ আইপিএলের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের তুলনায় 'শিশু'। কলকাতা নাইট রাইডার্স গ্রিনকে ২৫.২০ কোটি টাকায় কিনেছে। অর্থাৎ স্মিথের তুলনায় তাঁরই সতীর্থর দাম ১১ কোটি টাকার বেশি।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পিএসএল আটটি দলে সম্প্রসারিত হয়। হায়দরাবাদ এবং শিয়ালকোট ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে প্রায় ৬.২৫ মিলিয়ন ডলার এবং ৬.৬ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করে। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৫৬ কোটি এবং ৫৯ কোটি টাকা।
উপরের পরিসংখ্যানের পর একবার ভাবুন, গত আইপিএলে ঋষভ পন্থ একাই পেয়েছিলেন ২৭ কোটি। শ্রেয়স আইয়ারকে পাঞ্জাব কিংস কিনেছিল ২৬.৭৫ কোটি টাকায়। সুতরাং দুই আইপিএল ক্রিকেটারের সম্মিলিত বেতন পাকিস্তানে একটি পেশাদার টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানার মূল্যের সমান। এমন পরিসংখ্যান কেবল বেতন বৈষম্য নয়, বিশ্বব্যাপী খেলাধুলার ক্ষেত্রেও দুর্লভ দৃষ্টান্ত।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 09:36 PM Feb 12, 2026Updated: 09:36 PM Feb 12, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
