Advertisement
রোমাঞ্চের হাতছানি! রইল সেরা ৮ জঙ্গল সাফারি, গরমের আগেই সারুন প্ল্যানিং
গরমের ছুটি মানেই রোমাঞ্চের হাতছানি। অপেক্ষা না করে এখনই লিস্ট করে ফেলুন। আপনি যদি জঙ্গলের রোমাঞ্চকে পরতে পরতে পরখ করতে চান, তাহলে আর অপেক্ষা নয়। নিচে দেওয়া এই ৮ ঠিকানা আপনার গন্তব্য হয়ে উঠুক।
শীতের পাট চুকে গিয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রীষ্মের আগমনী। কিছুদিন পর সেই তপ্ত প্রকৃতি টের পাবেন আপনিও। পাতাঝরা জঙ্গলে যখন জল শুকিয়ে আসে, তখনই তৃষ্ণার্ত শিকারি আর শিকারের দেখা মেলে জলাশয়ের ধারে। ভারতের বনভূমি গ্রীষ্মে যে দৃশ্যপট মেলে ধরে, তা যেকোনও থ্রিলারের চাইতে কম নয়। বাঘের দর্শন থেকে গণ্ডারের দর্প— সবটাই এখন হাতের মুঠোয়। গরমের ছুটি মানেই রোমাঞ্চের হাতছানি। অপেক্ষা না করে এখনই লিস্ট করে ফেলুন। আপনি যদি জঙ্গলের রোমাঞ্চকে পরতে পরতে পরখ করতে চান, তাহলে আর অপেক্ষা নয়। নিচে দেওয়া এই ৮ ঠিকানা আপনার গন্তব্য হয়ে উঠুক।
রণথম্ভোর ন্যাশনাল পার্ক, রাজস্থান: বাঘের ডেরা, মরুরাজ্যের কেল্লা আর গভীর জঙ্গল। রণথম্ভোর এক আশ্চর্য মায়ালোক। শুষ্ক পর্ণমোচী অরণ্যে গ্রীষ্মে বাঘ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। জয়পুর থেকে ১৬০ কিমি দূরে অবস্থিত এই পার্কে জলকাদা মাখা কুমির আর চিতাবাঘেরও দাপট কম নয়!
জিম করবেট জাতীয় উদ্যান, উত্তরাখন্ড: ভারতের প্রাচীনতম এই জাতীয় উদ্যান যেন ইতিহাসের সাক্ষী। রামনগর থেকে মাত্র ১২ কিমি দূরে অবস্থিত করবেটের শাল বন আর ঘাসজমিতে হাতির পালের অবাধ বিচরণ মুগ্ধ করবে আপনাকে। গ্রীষ্মে রামগঙ্গা নদীর তীরে বাঘের জল পান করার দৃশ্য আপনার অভিজ্ঞতাকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান, অসম: ইউনেস্কো হেরিটেজ কাজিরাঙা মানেই একশৃঙ্গ গণ্ডারের একচ্ছত্র আধিপত্য। গরমকালে অসমের বন্য অঞ্চলে যখন লম্বা ঘাস কমে আসে, তখন যোরহাট বিমানবন্দরের কাছের এই জঙ্গলে বাঘ আর জলহস্তীদের দর্শন পাওয়া সহজ হয়। মে মাসের আগেই ঘুরে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
কানহা ন্যাশনাল পার্ক, মধ্যপ্রদেশ: মধ্যপ্রদেশের মাইকাল পাহাড়ের কোলে কানহা যেন ছবির মতো সুন্দর। বিলুপ্তপ্রায় বারাসিঙ্গা সংরক্ষণে এই বনের সাফল্য বিশ্বজুড়ে বন্দিত। গোন্দিয়া রেল স্টেশন থেকে পৌঁছানো যায় এই বাঘের ডেরায়। শাল বনের ছায়ায় চিতল হরিণদের লুকোচুরি আপনাকে মুগ্ধ করবে।
বান্ধবগড় জাতীয় উদ্যান, মধ্যপ্রদেশ: উমারিয়া থেকে ৩৫ কিমি দূরে এই জঙ্গলে পা রাখা মানেই বাঘের গর্জন শোনা। ভারতের মধ্যে বাঘের সর্বোচ্চ ঘনত্বের জন্য বান্ধবগড় বিখ্যাত। রুক্ষ পাহাড় আর উপত্যকার মধ্যে জিপ সাফারি করে বাঘ দেখার নেশায় পর্যটকরা বারবার এখানে ফিরে আসেন।
তাডোবা আন্ধারী টাইগার রিজার্ভ, মহারাষ্ট্র: নাগপুর থেকে ১৪০ কিমি দূরে অবস্থিত তাড়োবা গ্রীষ্মে পর্যটকদের স্বর্গরাজ্য। প্রচণ্ড গরমে যখন কৃত্রিম জলাধারের ধারে বাঘিনী আর ছানারা এসে ভিড় করে, সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতে মুখিয়ে থাকেন আলোকচিত্রীরা। সঙ্গে দেখা মিলবে বুনো কুকুর ও শ্লথ বিয়ারের।
গির জাতীয় উদ্যান, গুজরাট: গুজরাটের গির মানেই কেশর ফোলানো এশীয় সিংহের দাপট। জুনাগড় থেকে ৬৫ কিমি দূরে অবস্থিত এই জঙ্গলে পর্ণমোচী গাছের পাতাহীন শাখায় শিকারি চেনার সুযোগ অনেক বেশি। গ্রীষ্মের দুপুরে জলাশয়ের ধারে বনের রাজার উপস্থিতি এক অভাবনীয় প্রাপ্তি।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 08:05 PM Feb 14, 2026Updated: 08:05 PM Feb 14, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
