অনেকেই রসিকতা করে বলেন, সংসার জীবনের পাঁচবছর পেরলেই নাকি দম্পতি ভাই-বোনের মতো হয়ে যান। কারণ, নতুন বিয়ের পরের সেই চার্মটা আর থাকে না। একে অপরের কাছে তখন খোলা খাতা। কোনও লুকোচুরি নেই, নতুন করে খোঁজার কিছুও সে অর্থে থাকে না। এরপর থাকে শুধু হাতে হাত রেখে দু'জনে দু'জনের পাশে থেকে এগিয়ে যাওয়া। কিন্তু জানেন কি দাম্পত্য বয়স হলে দেখতেও খানিকটা একইরকম হয়ে যান? গবেষণায় প্রকাশ্যে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মোট ১২ হাজার ৬৫২ জনের উপর একটি গবেষণা করা হয়। যাদের দাম্পত্যের বয়স অনেক বছর। দেখা গেছে, দম্পতির মধ্যে একজনের আচরণে যদি কোনও পরিবর্তন আসে, একই বদল সঙ্গীর মধ্যে দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, একই পদ্ধতিতে বদল আসে স্বামী-স্ত্রীর চেহারাতেও। যাকে ফেসিয়াল মিমিক্রি হাইপোথিসিস বলে। এতে স্বামী ও স্ত্রীর মুখমণ্ডল অনেকটা এক ধাঁচের হয়ে যায়। কিন্তু কেন এমন হয়?
মূলত ২টি কারণে এমন হয় বলেই মনে করা হয়। প্রথমত, জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই নিজের মতো কাউকে খোঁজেন। যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ে। এছাড়া রয়েছে আবেগের সম্পর্ক। দুটো মানুষ দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকলে একজন অপরের আবেগকে গ্রহণ করে। ফলে তাঁদের হাবভাবে অনেক মিল তৈরি হয়।
আটের দশকের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাদের দাম্পত্যের বয়স ২৫ বছরের বেশি তাঁদের মুখের বৈশিষ্ট্যও একরকম। তবে হ্যাঁ, তারা সকলেই সুখী দম্পতি। মূলত ২টি কারণে এমন হয় বলেই মনে করা হয়। প্রথমত, জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই নিজের মতো কাউকে খোঁজেন। অর্থাৎ চেহারা-আচরণে মিল খোঁজেন। যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়ে। এর সঙ্গে রয়েছে আবেগের সম্পর্কও। দুটো মানুষ দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকলে একজন অপরের আবেগকে গ্রহণ করেন। ফলে তাঁদের হাবভাবে অনেক মিল তৈরি হয়। যা তৃতীয় ব্যক্তিদের কাছে খানিকটা একরকম দেখতে বলে মনে হয়। আপনার দাম্পত্যেরও কি ২৫ বছর বছর পেরিয়েছে? তাহলে একবার দুজনে আয়নার সামনে দাড়িয়ে দেখুন তো, মিল পান কি না!
